শিরোনাম
আমতলী উপজেলা প্রতিনিধি ::বরগুনার আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের হরিদ্রাবাড়ীয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুকৌশল অবলম্বন করে নিজেদের ঘরে আগুন দিয়ে প্রতিপক্ষ নজরুল ও ফেরদাউস হেনস্তা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর।
গত রবিবার ২৯/০৮/২১ইং তারিখ দিবাগত আনুমানিক রাত ২টার দিকে হরিদ্রাবাড়িয়ায় খান বাড়িতে জরাজীর্ণ ছোট একটি কাঠ ও পুরনো টিনের পাকঘড় তুল্য অবসবাসযোগ্য পরিত্যাক্ত ঘরে আগুন দিয়ে পুরে ফেলা হয়েছে । এতে ঘর মালিকমৃত্যু জব্বার খানের ছেলে কালাম খা (৪০) সাইদুল খান তিনি বাদী হয়ে তার বংশের চাচা (১)মো.নজরুল ইসলাম(২৫),(২) ফেরদাউস খান(৩০)পিতা: খালেক খান (৬০) ও (৩) মো.খালেক খান (৬০) পিতা: মো.সোনামিয়া খান (সোনে খা) কে আসামী করে আমতলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।বাদী বিবাদী তাদের সাথে দির্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত এ সমস্যা লেগেই আছে। তবে এলাকাসূত্রে জানাগেছে এ অভিযোগের পুরোটাই উল্টো ক্রিয়া।
সরেজমিনে সোহাগ মাহমুদ জানান, নজরুল ও ফেরদাউসের যদি ক্ষতি করার মনমানসিকতাই থাকতো তাহলে অকেজো ঘরে আগুন না দিয়ে বসবাসরত ঘরেও তো আগুন দিতে পারতো কেননা তাতে বেশী ক্ষতি হবে সেটাও তো ভাবতে পারতো । তা না দিয়ে অকেজো ঘরে দিলো কেন।এতে অনেক গোমট রয়েছে আমার মনে হচ্ছে।তারা বাদী বিবাদী একে অপর চাচা ভাতিজা ।তাদের সাথে আসামী পক্ষদ্বয়ের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত পুর্ব শত্রুতা রয়েছে।আমার ধারনা মতে আসামী নজরুল ও ফেরদাউস এর সাথে জরিত নাই কেননা নজরুল ও ফেরদাউসের সাথে বাদী সাইদুল খানের সাথে আগথেকেই ভালো সর্ম্পক নেই,সেক্ষেত্রে বাদীর কোন রকমের কোন ক্ষতি হলে নজরুল ও ফেরদাউসের দায়ভার নিতে হতে পারে এ ভেবে চিন্তে তারা একাজ করতে পারেনা।এতে তৃতীয় কোন ব্যাক্তির ও হাত থাকতে পারে।
সরেজমিনে মস্তফা ফকির জানান,তারা এক অপরের শত্রু। এখানে কোন কারো ক্ষতি হলে আসামী ও এক অপরকে দিবে।আমি বলছি এটা তৃতীয় কোন ব্যক্তি ফায়দালোটার জন্যও তারা ঘরে আগুন দিয়ে পুইরা ফালাইছে। তাদের শত্রুতার আরো বেশী ঘনঘটা হয়।
এলাকা সূত্রে হাতেম মাষ্টার জানান, তৃতীয় কোন ব্যক্তি ফায়দালোটার জন্যও তারা ঘরে আগুন দিয়ে পুরে ফেলেছেন যাতে তাদেও শত্রুতা আরো আক্ষেপরুপে রুপান্তরিত হয়।
ভিত্তিহীন অভিযুক্ত নিরীহ নজরুল খান জানান,আমরা এক অপরে বংশের চাচা ভাতিজা কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিরোধে তাদেও সাথে আমাদের কিছুটা সম্পর্কের অবনতি ঘটলেও এরকম ক্ষতি আমরা করিনাই কেননা আমাদের তো এতটুকু বোধগম্য রয়েছে ,তাদের কোন প্রকারের ক্ষতি হলে তারা যে আমাদের দায়ী করবে এ ভয় তো আমাদের প্রতিনিয়ত আছে।আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যম ধ্রুববানী ডট কম পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে তা মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। এত তিব্র নিন্দা জানাই।সাংবাদিক ভাইদের ভুল স্যারদেওকে ভুল তথ্য দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে।
ইউপি সদস্য মো.মাসুদ মিয়া ( দুলাল ফকির) (মেম্বর)মুঠো ফোনে জানান,বিষয়টি ষড়যন্ত্র এবং নজরুল ও ফেরদাউস এরকম কাজ করার মত লোক নয়।
আমতলীর ওসি (তদন্ত) বলেন,আমরা অভিযোগ পেয়েছি কিন্তু তবে সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।