শিরোনাম
নলছিটিত প্রতিনিধি :: ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৮নং সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আতিকুর রহমানকে ঘিরে ঘুষ গ্রহণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ঘুষের টাকা লেনদেনের দৃশ্য বলে দাবি করা একটি ছবি/ভিডিও নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি এবং কাজের বিনিময়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগও করছেন কেউ কেউ।
এলাকাবাসীর দাবি, ভূমি অফিসে নামজারি, খাজনা, জমির পর্চা ও অন্যান্য ভূমিসেবা নিতে গিয়ে অনেকেই নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত সরকারি সেবার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা -১বলেন, ভূমি অফিসে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে অনেক সময় হয়রানির শিকার হন। কাজের জন্য অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার চাপ রয়েছে—এমন অভিযোগ আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা দরকার।
স্থানীয় বাসিন্দা-২ বলেন, সরকারি অফিসে মানুষ সেবা নিতে আসে। সেখানে যদি ঘুষের লেনদেন হয়ে থাকে, তাহলে সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অভিযোগগুলো তদন্ত করা।
স্থানীয় বাসিন্দা-৩ বলেন, আতিকুর রহমান ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে যোগদানের পর থেকেই তাকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ শুনে আসছি। এখন যে দৃশ্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেটি সত্য হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, ঘুষের টাকা নেওয়ার দৃশ্য বলে যে ছবি/ভিডিও নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে, সেটির সত্যতা ও ঘটনার প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কর্মকর্তার বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আতিকুর রহমানের বক্তব্য জানতে দৈনিক বরিশালের চোখ-এর সাংবাদিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি নই।
তার এই বক্তব্যের পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশ করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।