শিরোনাম
আমতলী(বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীতে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর, প্রচারনায় বাঁধা ও কর্মী সমর্থকদের মারধরের অভিযোগে গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রী প্রার্থী মোঃ আসাদুর রহমান আসাদ মৃধার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নিার্বচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনির ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমতলী সাংবাদিক ক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আমাকে গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী মোঃ আসাদুর রহমান আসাদ আমার জন সমর্থণ দেখে নির্বাচনে পরাজয় হবে তার এটা বুঝতে পেরে আমার এবং আমার কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা ভয়ভীতি ও প্রচারে বাধাসহ বিভিন্ন অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন।
গত ১১ জুন আমি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে গোজখালী বাজারে প্রচারনায় যাই কিন্তু হাটাৎ করে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী আসাদ মৃধা ও তার লোকজন আমার এবং আমার কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এতে আমার কয়েকজন কর্মী আহত হয়।
এরপর গত সোমবার রাতে খেকুয়ানী বাজারে নৌকা মার্কার পথসভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান, সহ-সভাপতি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা, গুলিশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুস সোবাহান লিটনসহ উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিল।
পথ সভা শেষে আমার কর্মী সমর্থকরা বাড়ী যাওয়ার পথে আসাদ মৃৃধার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আমার কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালায় হামলায় আমার ছয়/সাতজন কর্মী আহত হয়েছে। হামলা শেষে খেকুয়ানী বাজারে আমার নির্বচনী কার্যালয়,রক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই প্রশাসনের কাছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি মোঃ আল আমিন মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুস সোবাহান লিটন, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন মৃধা, সহ-সভাপতি মোঃ লিটন জোমাদ্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহাগ মৃধা ও মোঃ হারুন অর রশিদসহ কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিল।
এ বিষয়ে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী আসাদুর রহমান আসাদ মৃধা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, এবিষয়ে অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।