শিরোনাম
ইমরান হোসেন ।। তিনি প্রেম করে বিয়ে করেন, আবার বিয়ে করেই করেন প্রতারনা। মূলতো তার বিয়ে নাটকের মূল উদ্বেশ্য সংসার নয়, বউয়ের সরল বিশ্বাসের সুযোগে সব হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যাওয়া। বলছি বরিশাল বহুমুখী সিটি মার্কেটের ব্যাবসায়ী ও নাটোর জেলার বাসীন্দা প্রতারক সানোয়ার হোসেনের কথা। অভিযোগ রয়েছে প্রতারকর ব্যাবসায়ী সানোয়ার হোসেন তার ব্যাবসার সুবাধে বরিশাল ও তার বাহিরেরে বিভিন্ন জেলায় আসা যাওয়া ছিলো। যার সুবাদে তার স্ত্রী, সন্তান ও নাতি থাকতেও এখন পর্যন্ত কথার ফুল জুড়িতে ফেলে প্রায় ৪/৫ টি বিয়ে করেছেন। সর্বশেষ গত কাল বরিশাল লঞ্চটার্মিনালে প্রতারক সানোয়ারকে হাতে নাতে ধরে ফেলে বিয়ের নামে প্রতারনার শিকার হওয়া এক নারী। অতপর তাদের বাক বিতান্ডা দেখে স্থানীয় জনতা তাদেরকে নৌ-থানায় নিয়ে আসেন। (নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক) সেই নারী জানায়, ব্যাবসা সুবাদে প্রতারক সানোয়ার গত ২০১৮ সালে সিলেট গেলে তার পরিবারের সাথে পরিচয় হয়। অতপর আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে আমি ও আমার পরিবার রাজি হয়। কিন্তু তখনও আমি জানতে পারিনি সানোয়ারের আরো কয়েকজন স্ত্রী আছে। তখন আমার পরিবারের সম্মতিতে আমার আর সানোয়ারের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের তিন চার পর সানোয়ার আমার পরিবারের কাছ থেকে ব্যাবসার জন্য ৩০হাজার টাকা নিয়ে কয়েক মাসের জন্য লাপাত্তা হয়ে যায়। পরে মাস ৬ পরে ফিরে এসে জানায় আমার জন্য ভালো একটা চাকরির ব্যাবস্থা করছে। এই বলে আমার কাছ থেকে ২টি ফরমে স্বাক্ষর নেয় সানোয়ার। কিন্তু আমি তখনো জানতে পারিনি যে, এটা সানোয়ারের প্রতারনার নতুন একটি অধ্যায়। পরে আমি জানতে পারি- দুটি কাগজের একটি ছিলো আমার ডিভোর্স পেপার আর একটি ছিলো আমার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য আমার অনুমতি। আমি সরল বিশ্বাসে সেই কাহজে স্বাক্ষর করার পরে সানোয়ার আমার গর্ভের তিন মাসের বাচ্চা (ভ্রুন) নষ্ট করে ফেলে এবং আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। ভুক্তভুগি সেই নারী প্রশাসনের কাছে প্রতারক সানোয়ারের বিচার চান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রতারক সানোয়ারকে কোতায়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল সদর নৌ থানায় অফিসার ইনচার্জ আল মামুন। এবিষয়ে অভিযুক্ত সানোয়ার প্রতিবেদক কে মুঠোফোনে জানান কোতয়ালী মডেল থানা থেকে আমাকে ছেড়ে দেয়া। আমি এখন বাসায় আছি। আপনি সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন, আমার কিছুই হবেনা।