শিরোনাম
বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি :: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫ নং দুর্গাপাশা ইউনিয়নের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদি ভাঙ্গন রোধ প্রকল্পের ১৬ নং প্রজেক্টের তিনটি মেশিন চুরির অভিযোগ উঠে গত ২০-০৮-২৬ ইং তারিখে।
১৬ নং প্রজেক্টের ম্যানেজার বিষয়টি গ্রাম পুলিশ আসলাম হাওলাদার ও ইউনুস মেম্বারকে তাত্ক্ষণিক জানায়।২১-০৮-২৬ তারিখে স্থানীয় ভাবে বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা শুরু হলে দুর্গাপাশা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ আসলাম হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ ইউনুস খানসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে চুরি হওয়া মেশিনের বিষয়ে আলোচনা করে চোরসহ মালামাল উদ্ধারের জন্য তোরজোর শুরু করে।
গ্রাম পুলিশ আসলাম স্থানীয় ভাবে চুরির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় চোর ধরতে অভস্থ ছিলো বিধায় তার সন্দেহ হয় স্থানীয় মটর চালক জাহিদুল এর দিকে,এবং অভিযোগ তুললে জাহিদুল বিষয়টি শিকার করে এবং চুরি হওয়া মেশিন কোথায় আছে সেই তথ্য গ্রাম পুলিশকে দিলে গত ২২-০৮-২৬ তারিখ দুর্গাপাশা ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ড পাটকাঠি গ্রামের রুবেলের ইট বাটা থেকে উদ্ধার করা হয় দু’টি মেশিন তখন গ্রাম পুলিশ আসলাম হাওলাদার ও কাকরদা পুলিশ ফাড়ির এ এস আই ফয়সাল এবং ইউনুস মেম্বার সহ স্থানীয় অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলো বলে জানা যায়।
এবং চোর জাহিদুলের তথ্য অনুযায়ী জানা যায় বড় যে সিক্স সিলেন্ডার মেশিনটি ভোলার গাজীর চরে ফেলে রাখা আছে। সেই তথ্য অনুযায়ী প্রজেক্ট ম্যানেজার গ্রাম পুলিশ আসলাম ও ইউনুস মেম্বার সহ আরও অনেকে ভোলা থেকে মেশিন টি উদ্ধার করে।
চোরের অভিযোগে অভিযুক্ত জাহিদুল এর ভিডিও বক্তব্যে বলেন দুর্গাপাশা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঃ কাইয়ুম খান এর মদদে চুরি করে জাহিদুল ও তার সঙ্গ পঙ্গরা। জাহিদুল আরও বলেন নাম প্রকাশ না করা সত্যে প্রোজেক্টের কিছু অসাধু কর্মকর্তারাও সহযোগিতায় করে জাহিদুল । অভিযোগ আছে যে আঃ কাইয়ুম খান নিজেকে নির্দোষ প্রমান করতে স্থানীয় কিছু সংবাদ কর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মোঃ আসলাম হাওলাদার, রিয়াজ খান, এবং রিয়াজ আকনকে নিয়ে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়ানোর।
এবিষয়ে মদদ দাতা আঃ কাইয়ুম খান কে সংবাদ কর্মী তার মুঠোফোনে কল দিয়ে চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে সে দায়শারা বক্তব্য দেয় তিনি বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে আমার প্রতিপক্ষরা চক্রান্ত করতে আছে। আর যে ছেলে চুরি করছে সে নেশা খোর ওর কথার কোন দাম নাই।
এবিষয়ে ১৬ নং প্রজেক্টের ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা বলেন আমরা আমাদের চুরি হওয়া মেশিন গ্রাম পুলিশ আসলাম ভাই ও ইউনুস মেম্বারের সহযোগীতায় উদ্ধার করতে পারছি, আমি আমার কোম্পানির সাথে কথা বললে তারা মামলায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আমি আর মামলা করি না ।
চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোরের শিকার উক্তি বিষয়ে কাকরদা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ নাজমুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যাদের মেশিন চুরি হইছে তারা মামলা করতে না চাওয়ায় মামলা হয়নি তবে উদ্ধার কাজে গ্রাম পুলিশ আসলাম অনেক সহযোগিতা করে। এবং মালামাল উদ্ধার করে প্রোজেক্ট ম্যানেজারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।