শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার :: বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগে নেতা ফ্যাসিবাদের দোসর কামরুজ্জামান নবীন ও যুব লীগের নেতা আফজালের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে একই এলাকার জিয়া মঞ্চ বরিশাল জেলা দক্ষিণের সহ-সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মোটর চালকদলের সদর উপজেলার আহ্বায়ক মিন্টু বেপারিকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী মিন্টু বেপারি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী লীগের সময়ে কামরুজ্জামান নবীন ও যুব লীগের নেতা আফজালের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমাকে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাবাস করিয়েছেন।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পরে নতুন ভাবে তারা চাঁদপুরা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জব্বার সিকদারের ছত্রছায়া থেকে নতুন ভাবে আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। জব্বার সিকদার চাঁদপুরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠে পরে লেগেছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারিত আওয়ামী লীগের দোসর কামরুজ্জামান নবীনের করা মিথ্যা মামলায় চাঁদপুরা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জব্বার সিকদার স্বাক্ষী হয়েছেন। যাহার মামলা নং ৪১/২০২৫ (বন্দর থানা)।
তিনি আরো বলেন, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রায়পুরায় আমার ক্রয়কৃত জমিতে বসতে ঘরে কামরুজ্জামান নবীন এবং যুব লীগের নেতা আফজাল তার সহযোগীদের নিয়ে আগুন দিয়ে পুরিয়ে দেয়। এই ঘটনায় ১৮ তারিখ বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করি। একই ঘটনায় আসামি পক্ষরা ২৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন আদালতে।
এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতা কামরুজ্জামান নবীন মিন্টু বেপারি সহ বিএনপির একাধিক কর্মীর নামে মিথ্যা চাঁদবাজি মামলা দিয়েছেন বন্দর থানায়। মামলা নং-৪/২০২৫।
ভুক্তভোগী মো: মিন্টু বেপারী আরো বলেন জব্বার সিকদার ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হয়ে আওয়ামী লীগের নেতা নবীন ও যুব লীগের নেতা আফজালের পক্ষ নিয়ে তাদের শেল্টার দিয়ে আসছে। জমি সংক্রান্ত বিষয় আওয়ামী লীগের সময়ে নবীন ও আফজাল আমাকে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। এখনো আওয়ামী লীগের দোসরা নানাভাবে হয়রানি করে আসছে।
অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির নেতা জব্বার সিকদার বলেন আমার নামে সকল অভিযোগ মিথ্যা। মিন্টু বেপারির সাথে কামরুজ্জামান নবীনের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ তার জন্য নবীন মিন্টুর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতা দায়ের করা মামলায় কেন স্বাক্ষী হয়েছেন এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেন নাই।
অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের নেতা কামরুজ্জামান নবীন ও যুব লীগের নেতা আফজালের মুঠোফোনে বক্তব্যের জন্য একাধিকবার ফোন করে তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই।