শিরোনাম
আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি : মহামারী করোনার মধ্যেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ইর্য়াস। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার দিকে এগিয়ে আসছে বলে আভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ২ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ কারণে বরগুনার আমতলীসহ আতংকে উপকূলীয় এলাকার মানুষ।
উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিস জানান, ঘূর্ণিঝড় ইর্য়াস মোকাবেলায় ইতিমধ্যেই আমতলীর ১১১টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র আছে সেগুলো উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিদের্শ দিয়েছেন।
উপজেলা ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর সহকারী পরিচালক কেএম মাহতাবুল বারী মুঠোফোনে বলেন, উপজেলার ২ হাজার ৩শ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, এ উপজেলার ১১১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুযোর্গ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। আশ্রয় কেন্দ্রে সামাজিক সুরক্ষা মেনে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী রাখা হবে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে গ্রাম পুলিশ ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের টিম সার্বক্ষণিক সামাজিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকবেন। আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া মানুষের জন্য শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমান, জানান, ঘূর্নিঝড় ইর্য়াস দুর্যোগ মোকাবেলায় পৌরসভার পক্ষ থেকে সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুযোর্গ মোকাবেলায় পৌরসভার সকল আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। সাইক্লোন শেল্টাওে আশ্রয় নেয়া মানুষদের জন্য শুকনা খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলার উপজেলা প্রশাসন সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রত্যেক ইউনিয়নের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসহ সকল জনসাধরণকে সজাগ থাকার জন্য বলা