শিরোনাম
আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের কুলাইরচর এলাকায় ইলিয়াস হাওলাদার নামের এক ব্যক্তির ভোগ দখলীয় জমি ও বাড়ী ঘর জোর করে দখল করে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের কুলাইরচর এলাকার প্রবাসী ইলিয়াস হাওলাদারের স্ত্রী খালেদা বেগম বেগম জানান, তাদের ভোগ দখলীয় জমি একই এলাকার মতলেব প্যাদা(৬০) জামাল বিশ্বাস(৪৫) রিয়াজ বিশ্বাস(২০) জোর করে দখল করার জন্য ৭ এপ্রিল দেশিয় অ¯্র স¯্র নিয়ে তার বাড়ীতে প্রবেশ বাড়ী আইল সিমানা কেটে ফেলে। এ ঘটনায় খালেদা বেগম মতলেব প্যাদা(৬০) জামাল বিশ্বাস(৪৫) রিয়াজ বিশ্বাস(২০) কে বিবাদী করে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
খালেদা বেগমের লিখিত অভিযোগে জানা যায় , মো. ইলিয়াস হাওলাদারের কবলাকৃত সম্পত্তি প্রায় ৫০ বছর ধরে ভোগে দখল করে আসছে। উক্ত সম্পত্তির প্রতি কু দৃষ্টি পরে একই এলাকার মতলেব প্যাদা গংদের। শুক্রবার মতলেব প্যাদা লাঠি সোটা নিয়ে ইলিয়াস হাওলাদারের বাড়ীতে ঢুকে বাড়ীর আইল সিমানা কেটে ফেলে ও তার স্ত্রী খাদো বেগমকে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন।
খালেদা বেগম বলেন একাধিক মামলার আসামী মতলেব প্যাদা আমার স্বামী বিদেশ থাকে এই সুয়োগে আমাদের ভোগদখলীয় জমি ও বাড়ী ঘর জোর করে দখল করার জন্য বাড়ীর আইল সিমানা কেটে ফেলে এবং আমাদের জীবন নাশে হুমকি দেয়।
এ ব্যাপাওে অভিযুক্ত মতলেব প্যাদার কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয় কোন কথা বলবেন না বলে জানান।
আমতলী থানার এস আই শুভ বাড়ৈ মুঠোফোনে জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে তাদের কাগজ পত্র সহ থানায় আসার জন্য বলা হয়েছে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহআললম হাওলাদার মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলীর পাউবো অফিস সলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের গাছ কেটে সাবাড়
আমতলী (বরগুনা)প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীর পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সংলগ্ন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের অর্ধশতাধিক খেজুর,জিলাপী, বাবলাগা কেটে ফেলেছে বিএনপি কর্মী মোঃ কালাম হাওলাদার। পৌরসভার বৈঠাকাটা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের এ গাছগুলো কালাম হাওলাদার ৭/৮ জন লোকনিয়ে শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাটে । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে কালাম ও তার লোকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আমতলী থানা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়।
জানাগেছে, বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর আমতলী অফিস সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে বাবলা, জিলাপি ও খেজুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। গাছগুলো চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপি’নেতা মোঃ কালাম হাওলাদার ও তার ছেলেসহ ৭/৮ জন লোক নিয়ে শনিবার কেটে ফেলে ।
গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে বিকেলে আমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ দেখতে পেয়ে কালাম হাওলাদার তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মোঃ কালাম হাওলাদার মুঠোফোনে গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার বাবার জমির সীমানার গাছ কেটেছি।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহআলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পঠানো হয়েছে। পুলিশ যাওয়ার পর কালাম ও তার লোকজন পালিয়ে গেছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কায়সার আলম মুঠোফোনে বলেন, যারা গাছ কেটেছে তাদের বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিত্বে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলীর পাউবো অফিস সলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের গাছ কেটে সাবাড়
আমতলী (বরগুনা)প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীর পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সংলগ্ন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের অর্ধশতাধিক খেজুর,জিলাপী, বাবলাগা কেটে ফেলেছে বিএনপি কর্মী মোঃ কালাম হাওলাদার। পৌরসভার বৈঠাকাটা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের এ গাছগুলো কালাম হাওলাদার ৭/৮ জন লোকনিয়ে শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাটে । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে কালাম ও তার লোকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আমতলী থানা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়।
জানাগেছে, বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর আমতলী অফিস সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে বাবলা, জিলাপি ও খেজুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। গাছগুলো চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপি’নেতা মোঃ কালাম হাওলাদার ও তার ছেলেসহ ৭/৮ জন লোক নিয়ে শনিবার কেটে ফেলে ।
গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে বিকেলে আমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ দেখতে পেয়ে কালাম হাওলাদার তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মোঃ কালাম হাওলাদার মুঠোফোনে গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার বাবার জমির সীমানার গাছ কেটেছি।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহআলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পঠানো হয়েছে। পুলিশ যাওয়ার পর কালাম ও তার লোকজন পালিয়ে গেছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কায়সার আলম মুঠোফোনে বলেন, যারা গাছ কেটেছে তাদের বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিত্বে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলীর চাওড়া ও হলদিয়া ইউনিয়নের সংযোগ সেতুর বেহাল দশা! ২০ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ও হলদিয়া উপজেলার দুটি ইউনিয়নের সংযোগ সেতু আয়রন ব্রীজটির বেহাল দশা ¯িøপার ভেঙ্গে গেছে ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুটি পার হতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দুই ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষকে। জানাগেছে, ২০০৮ সালে এলজিইডির অর্থায়নে ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮৫ মিটার লম্বা এ আয়রন ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
২০১৯ সালের শেষের দিকে ব্রীজটির ¯িøপার ভেঙ্গে ও ডেবে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অদ্যবদি আর কোন সংস্কার কাজ না করায় বর্তমানে ব্রীজটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ব্রীজটির দক্ষিন পাড়ে হলদিয়া , বাজার, তুজির,হলদিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, হলদিয়া হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঙ্গবন্দু মাধ্যমিক বিদ্যালয় , তক্তাবুনিয়া নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা , গুরুদল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ,উত্তর পাড়ে চাওড়া ইউনিয়নের কাপালী গ্রাম চন্দ্রা হাট চন্দ্রা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় , কাউনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন এ ব্রীজটি দিয়ে হলদিয়া ও চাওড়া ১৫ গ্রামের হাজার হাজার পথচারী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পারাপার হন। ব্রিজটি দিয়ে শত শত মটরসাইকেল, রিক্স্রা ভ্যান চলাচল করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, ব্রীজটির দক্ষিন মাথায় উপরিভাগের সিøপার ভেঙ্গে গেছে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এমন অবস্থা হয়েছে যে পুরুষেরা কোনোমতে পার হতে পারলেও বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা পারাপার হতে ভয়ের মধ্যে থাকতে হয় । দীর্ঘদিন সেতুটির সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম মৃধা মুঠোফোনে জানান, সেতুটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি )আমতলীকে জানানো হয়েছে। ব্রিজটি সংস্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে ।এ ব্রিজ দিয়ে চাওড়া ও হলদিয়ার হাজার হাজার মানুষ উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে।
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে বলেন, সরেজমিন পরিদর্শণ করে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিত্বে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।