শিরোনাম
সব সংক্রামক ব্যাধিই ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এর এর চরিত্র পরিবর্তন করে। শীতে আসা করোনাভাইরাস তবে কি গরমে কমে যাবে? এমন প্রশ্নের উত্তর উঠে এসেছে মার্কিন এক গবেষণায়।
আজ থেকে ১০ বছর আগে যুক্তরাজ্যের এডিনবরা ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিজের কেট টেপ্লশেন তিন ধরনের নমুনা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। সারা বিশ্বের ৫০০টি এলাকার নমুনা নিয়ে একটি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এটি এখনো অপ্রকাশিত বলে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেখানে ভাইরাসটির বিস্তারে তাপমাত্রা, বাতাসের গতি ও তুলনামূলক আর্দ্রতার সম্পর্ক আছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। গবেষকেরা অনুমান করেছেন, বিশ্বের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের দেশগুলো করোনাভাইরাসের কারণে কম আক্রান্ত হবে।
স্টকহোমের ক্যারোরিনসকা ইনস্টিটিউটের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জেন আলবার্ট বলছেন, ‘আমরা আশা করছি যে করোনাভাইরাস শেষ পর্যন্ত স্থানীয় একটি মহামারি হিসেবে চিহ্নিত হবে। আর এটি যদি ঋতুর সঙ্গে পরিবর্তিত না হয়, তবে তা হবে বিস্ময়কর। আমরা নিশ্চিত করে এখনো জানি না। তবে এটা সম্ভব।’
করোনাভাইরাস যে ভাইরাস গোত্র থেকে এসেছে, তাকে বলা হয় ‘এনভেলাপড ভাইরাস’। এর অর্থ হলো, এ ভাইরাসের গায়ে তৈলাক্ত একধরনের প্রলেপ থাকে। ঠান্ডায় এই তৈলাক্ত প্রলেপ আরও শক্ত হয়ে ওঠে। ঠিক রাবারের মতো। মাংস রান্না করার পর ঠান্ডা হয়ে গেলে চর্বি যেমন হয়, এ ক্ষেত্রেও তেমনটি হয়।