শিরোনাম
মোঃ মাসুম:: স্টাফ রিপোর্টার:: প্রতিদিন হাজার এর উপরে মানুষজন বরিশাল থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে বরিশাল লঞ্চে করে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু এ যাতায়াতকে পুঞ্জি করে লঞ্চের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারিরা মেতে উঠেছে এক বানিজ্যে। প্রতিদিন লঞ্চের ডেকের ২০০/- টাকায় যাত্রী বহন করে তারা। তবে তাদের রয়েছে নির্দিষ্ট ধারণ ক্ষমতা। আর এই ধারণ ক্ষমতা যখন উপেক্ষিত হয়ে যায় এবং বিছানা বিছানোর জায়গা থাকে না তখন অতিরিক্ত ২০০-৫০০/- দিলে মিলে যায় মনোরম পরিবেশের যায়গা। অর্থাৎ লঞ্চের প্রতিটি বৈদ্যুতিক পাখার নিচে ১/২/৩/৪ করে তোষক/চাদর বিছিয়ে দখলে রাখে কর্মচারীরা।
এ ব্যাপারে লঞ্চ কর্মচারিদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, ছাদে যান বা অন্যটায়। দায়িত্বরত অন্য আরেক জনের সাথে কথা বললে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে চলে যান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী দুপুর ১২:৫৮ লঞ্চে এসে বৈদ্যুতিক পাখার নিচে চাদর বিছতে গেলে বলেন, অন্যত্র চাদর বিছান, এখানে আমরা বিছাবো। যাত্রী এর বিরোধিতা করলে তারা বলেন, যাবেন না মানে? এ জায়গা কি আপনি কওলা করে (কিনে) নিয়েছেন? পরবর্তীতে তিনি তাকে দেখে নিবেন বলেন হুমকি দেন।
এরকম ঘটনা প্রতিদিনই ঘটতেছে। কোটি টাকা দিয়ে লঞ্চ তৈরি করে লাভবান হচ্ছেন না মালিক রা। কিন্তু বাড়ি-গাড়ির মালিক বনে যাচ্ছেন লঞ্চের কর্মচারীরা। তাই এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষসহ সকল মালিকগণের নিকট জোড় দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। সাথে সাথে নৌকর্তৃপক্ষের সতর্কদৃষ্টি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন।