শিরোনাম

| |

দক্ষিণাঞ্চল বাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর গড়ে উঠবে শিল্প -কারখানা।।

ডেইলি বরিশাল সংবাদ সংবাদ সংগ্রহে সারাক্ষন

প্রকাশিত: December 13, 2020 10:06 AM
Print Friendly and PDF

 

এস এল টি তুহিন ঃঃ৪১তম স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে দৃশ্যমান হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’। কঠোর চ্যালেঞ্জের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৎ সাহসিকতা ও দূরদর্শিতায় মহামারী করোনার মধ্যেও কাজ চলমান থাকায় জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তের ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন ঘটেছে। ফলে দৃশ্যমান পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। করোনার মধ্যেও স্বপ্নের এ সেতুর নির্মাণ কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ায় উচ্ছ্বসিত দক্ষিণাঞ্চল তথা বরিশালের মানুষ। বিশেষ করে সড়ক পথকে ঘিরে নানান পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে সাধারণ মানুষসহ পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বরিশালের কৃতী সন্তান এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার নিউজজিকে বলেন, পদ্মা সেতু উন্মুক্ত হওয়ার পর দেশের অর্থনীতিতে অনেক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো পুরো দেশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে। এসব জেলা হবে ব্যবসায়ী হাব। এক্ষেত্রে আমদানি-রফতানি সহজ হবে। পাশাপাশি সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গেও ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতুকে ঘিরে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। ফলে ওইসব জেলার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি ঢাকা শহরের ওপর চাপ অনেকাংশে কমে যাবে। এক কথায় বলতে গেলে বরিশাল হবে দেশের তৃতীয় রাজধানী।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’এর পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈন আব্দুল্লাহ নিউজজি কে বলেন, আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সকল কাজ শেষে উন্মুক্ত করার পর গোটা দেশের অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন হবে। বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের অর্থনীতি পাল্টে যাবে। দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়ন হবে। মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এতে শ্রমিকদের ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরমুখী হতে হবে না। পাশাপাশি এখন আর চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে না। পায়রা বন্দর ও মংলা বন্দর সচল হবে। বন্দরগুলোকে ব্যবহার করা যাবে। অন্যদিকে বন্দর খরচ কম হওয়ায় পণ্যের উৎপাদন খরচ কম পড়বে। ফলে রফতানি আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, পায়রা ও মংলা বন্দর ব্যবহার করলে একদিকে সময় অন্যদিকে অর্থ বাঁচবে। একইসঙ্গে পর্যটনকেন্দ্র সাগর কন্যা কুয়াকাটায় দেশ-বিদেশের পর্যটক বৃদ্ধি পাবে। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস নিউজজি এর বরিশাল রিপোটার এস এল টি তুহিন কে বলেন, পদ্মা সেতু দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নিঃসন্দেহে অবদান রাখবে। এ সেতু কেবল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নয়; পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতিই বদলে দেবে। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল।

পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করার পর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিরাট পরিবর্তন ঘটবে। মাত্র সাড়ে ৩ ঘণ্টায় বরিশাল থেকে ঢাকা ॥ বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সকল কাজ শেষে উন্মুক্ত করার পর বরিশালসহ গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি সড়ক পথের সংযোগন স্থাপন হবে। ইতোমধ্যে সড়ক পথকে ঘিরে নানান পরিকল্পনা শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষসহ পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। বর্তমানে বরিশাল থেকে মাওয়া রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী পরিবহনের চালক ও মালিকদের দাবি, সর্বশেষ স্প্যান বসানোর পর পদ্মা সেতু এখন পুরোটাই দৃশ্যমান। এর মধ্যদিয়ে সেতুর বেশিরভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এখন যে কাজ তা দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যাবে। পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হলে বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও ভোলা থেকে ঢাকায় যেতে সময় কমে যাবে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। আর যাত্রীসেবার মানও বৃদ্ধি পাবে। কারণ হিসেবে পরিবহন মালিক ও চালকরা বলেন, মাওয়া ফেরি ও সরু সড়কপথের কারণে এ অঞ্চলে বিলাসবহুল পরিবহন সংযোজন যারা এতদিন করতে পারেননি, তারা পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করার পরেই বিনিয়োগ করবেন। আর এ বিনিয়োগকে সফল করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটন শিল্প। বাসচালক শাহিন তালুকদার নিউজজিকে বলেন, সমুদ্র সৈকত দেখতে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা ব্যয় করে কষ্ট করে হলেও এখন মানুষ কক্সবাজারে যাচ্ছেন।

কিন্তু পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে সাগরকন্যা কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকতে ঢাকা থেকে যেতে সময় লাগবে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। অর্থাৎ কক্সবাজারের চেয়ে অর্ধেকেরও কম সময় লাগবে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আসতে। একইভাবে বরিশাল, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির ভাসমান বাজার অর্থাৎ ফ্লোটিং মার্কেট কিংবা নয়নাভিরাম শাপলার বিল ও বরিশালের ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনে ঢাকা থেকে পর্যটকদের আসতে তেমন একটা সময়ের প্রয়োজন হবে না। বরিশাল-মাওয়া রুটের বেসরকারী পরিবহনের বাসচালকরা জানান, বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ৫ থেকে ৬ স্থানের নির্ধারিত কাউন্টারে থেমে যাত্রীদের নিয়ে তারা নির্ধারিত ৩ ঘন্টা ১০ মিনিটে কাওরাকান্দি (শরিয়তপুর প্রান্ত) যাচ্ছেন। এরপর ওই বাসের যাত্রীকে আরও প্রায় আধাঘণ্টা স্পীডবোটে অন্যথায় প্রায় এক ঘণ্টা লঞ্চে চেপে ওপারে (মাওয়া) যেতে হচ্ছে। সেখান থেকে প্রায় দেড়ঘণ্টার বাস যাত্রায় ঢাকার সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী কিংবা বাবুবাজারে পৌঁছতে পারছেন যাত্রীরা। এতে সর্বমোট প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় লাগছে। তারা (চালক) আরও জানান, বরিশাল থেকে মাওয়া হয়ে ঢাকার উদ্দেশে সরাসরি যাওয়া বাসগুলো আড়াই ঘণ্টার মধ্যে আর মাইক্রোবাসগুলো দুই থেকে সোয়া দুই ঘণ্টার মধ্যেই কাওরাকান্দি পৌঁছে যাচ্ছে প্রাইভেট গাড়ির ক্ষেত্রে দুই থেকে সোয়া দুই ঘণ্টা লাগছে। এরপর ফেরি ও জোয়ার-ভাটা ভেদে মাওয়া প্রান্তে যেতে কখনও দেড়ঘণ্টা, আবার কখনও দুই ঘণ্টা সময় লাগছে। এরপর এক ঘণ্টার মধ্যে যাত্রাবাড়ী কিংবা সায়েদাবাদে পৌঁছে যাচ্ছে ওইসব গাড়ি। সূত্রমতে, পদ্মা সেতু উন্মুক্ত হওয়ার পর সরাসরি বরিশাল থেকে ঢাকা যেতে (ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার) সময় লাগবে মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা।

কারণ ছয় কিলোমিটারের পদ্মা সেতু পার হতে মাত্র ১০ থেকে ১২মিনিট সময় লাগবে। যা এখন ফেরিতে লাগাচ্ছে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাশরেক বাবলু নিউজজিকে বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর প্রত্যাশা অনেক। এ সেতু উন্মুক্ত হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলে খুব সহজেই বিলাসবহুল পরিবহন অনায়াসে আসা-যাওয়া করতে পারবে। ফলে পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করার পর সড়কপথে যাত্রীদের সেবার মান বাড়বে। একইসঙ্গে বাস মালিক বা প্রতিষ্ঠানও এ অঞ্চলের জন্য নতুন করে বিনিয়োগ করবে। তিনি আরও বলেন, এখন অনেক মালিক রয়েছেন যারা শুধু মাওয়া ও দৌলতদিয়ার ফেরির কারণে বরিশালে বিলাসবহুল গাড়ি নামাতে পারছেন না। কিন্তু পদ্মা সেতু উন্মুক্ত হলে বরিশালের সঙ্গে সড়ক পথের যোগাযোগে ফেরি থাকবে না। ফলে পদ্মা সেতুকে ঘিরে পরিবহন ব্যবসায়ও নতুনত্ব আসবে। এছাড়া সড়কপথে যাতায়াতে সময়ও অনেক কম লাগবে। তবে যাত্রীসেবার মান পুরোপুরি বাড়াতে হলে ভাঙ্গার পর থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালী হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবি করেছেন পরিবহন চালক ও শ্রমিকরা। এতে করে যাত্রা আরও নিরাপদ হবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

স্বপ্ন উড়ছে কুয়াকাটায় ॥ ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করার পর দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে বরিশাল বিভাগের পর্যটন সেক্টরে বিশেষ উন্নয়ন ঘটবে। সাগর কন্যা কুয়াকাটর সমুদ্র সৈকতসহ বরিশাল-পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলার ভাসমান হাট-বাজার, বরিশালের শাপলার বিলকে ঘিরে পর্যটকদের সমাগম বাড়বে। একই সঙ্গে এসব পর্যটন এলাকা ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার খুলবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভাগীয় হেডকোয়ার্টার বরিশাল কিংবা পটুয়াখালী জেলা সদরে ঢাকার সদরঘাট থেকে সহজে নৌ-পথে আসা যায়। তবে উভয় জায়গা থেকেই সড়ক পথে সাগরকন্যা কুয়াকাটায় যেতে হয়। এতে কুয়াকাটায় আসতে সময় লাগছে ১২ ঘণ্টার মতো। বর্তমানে ঢাকা থেকে মাওয়া ফেরি হয়ে কুয়াকাটায় আসতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা আর দৌলতদিয়া হয়ে আসতে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা সময় লাগছে। সেখানে পদ্মা সেতু ও পটুয়াখালীর লেবুখালীর পায়রা সেতু উন্মুক্ত হলে কমপক্ষে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় কমে যাবে। আর এক্সপ্রেসওয়ের মতো ওয়ানওয়ে সড়ক হলে সময় আরও কমে আসবে। ফলে পর্যটকরা কক্সবাজারের চেয়ে কুয়াকাটায় দ্রুত সময়ের মধ্যে আসতে পারবেন। কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরাও আশায় বুক বেঁধেছেন পদ্মা সেতুকে ঘিরে। তাদের দাবি, দূরত্ব কম হওয়ার পরেও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফেরি থাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা রুটে বিলাসবহুল বাসের সংখ্যা খুবই কম।

তবে প্রাকৃতিকভাবে নিরাপদ হওয়ায় এ সমুদ্র সৈকতকে ঘিরে কখনও পর্যটকরা বিমুখ ছিলেন না। আর পদ্মা সেতু উন্মুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে সড়ক পথের যে উন্নয়ন ঘটবে তাতে ঢাকা থেকে কুয়াকাটায় আসতে কোন ফেরির প্রয়োজন হবে না। এতে কক্সবাজারের চেয়ে প্রায় এক শ’ কিলোমিটার কম দূরত্বে অবস্থিত কুয়াকাটায় পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। সূত্রমতে, পটুয়াখালীর লেবুখালীতে পায়রা সেতুর কাজ প্রায় শেষের দিকে। আর পদ্মা সেতু চালু হলে ঢাকা থেকে সরাসরি সড়কপথে যে কেউ সাড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে কুয়াকাটায় আসতে পারবেন। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ নিউজজি কে বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে আমরা হোটেল ব্যবসায় সেবার মান বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। বহু বিনিয়োগকারী পাঁচ তারকা মানের হোটেল নির্মাণের পরিকল্পনা করেছেন। তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু কুয়াকাটায় ব্যবসায়ীদের ভাগ্যের দরজা খুলে দেবে, সৃষ্টি হবে নতুন দিগন্তের, এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা নিউজজিকে বলেন, সাগর কন্যা কুয়াকাটাকে নিয়ে উন্নয়নের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরুর পর থেকেই কুয়াকাটায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে।

ইতোমধ্যে হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে সর্বোচ্চ আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। সমুদ্র বিলাসে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন নৌ-যান। যা দিয়ে পর্যটকরা সাগরের বুকে জেগে ওঠা চরবিজয়, নয়নাভিরাম টেংরাগিরি বা ফাতরার বনসহ বিভিন্নস্থানে নিরাপদে ঘুরতে পারছেন। বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান নিউজজিকে বলেন, দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে বিজয়ী হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্ত হলো প্রমত্তা পদ্মার দুই পাড়। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ আজ নিজস্ব সামর্থ্য প্রমাণের আরেকটি ইতিহাস। এই ইতিহাসের নায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারণ শেখ হাসিনা স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখান এবং স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেন।

শেয়ার করুন :

বরিশাল সংবাদ ২৪

বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন।

বরিশাল সংবাদ ২৪

Call

নামাজের সময়সূচি
July 26, 2026
Fajr 12:00 am
Sunrise 12:00 am
Zuhr 12:00 am
Asr 12:00 am
Maghrib 12:00 am
Isha 12:00 am
,
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

সংবাদ সংগ্রহে সারাক্ষণ