শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল লঞ্চঘাট সংলগ্ন চরকাউয়া খেয়াঘাট যেখান থেকে প্রতিদিন নদী পার হয়ে যাতায়াত করে হাজারো মানুষ। নদী পার হয়ে শহরে ঢোকার একটিমাত্র রাস্তা রয়েছে। কিন্তু সেই রাস্তা দিন দিন অবৈধভাবে ব্যবসায়ীদের দখলে পরে প্রতিনিয়ত পথচারীদের দুর্ভোগ ও চলাচল রত যানবাহনের যানজট চরম সীমায় পৌঁছেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরকাউয়া খেয়াঘাট থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত যে রাস্তাটি রয়েছে তার প্রায় অধিকাংশ জায়গা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দখলে রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য আছে কয়েকটি ফলের দোকান কয়েকটি রেস্টুরেন্ট, চায়ের দোকান ও কসমেটিক এর দোকান। এমনিতে সব সময় হাজারো মানুষের যাতায়াত এই রাস্তায় তার উপরে আবার গত তিন দিনে চরমোনাই মাহফিলগামি মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল এই রাস্তায়। এর ফলে চরকাউয়া খেয়াঘাটের প্রবেশমুখে ছিল অসহনীয় যানজট।
রাস্তা দখলের কারণে ছোট ছোট দুর্ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে সেখানে। রিক্সা, অটো, হোন্ডা ও ও পথচারীদের চলাচলের জন্য যেটুকু জায়গা রয়েছে তা খুবই সংকীর্ণ। এই সংকীর্ণ জায়গায় চলাচল করা খুবই কষ্টকর। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীদের আগ্রাসনে প্রতিনিয়তই কমছে রাস্তার জায়গা।
ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে ব্যবসা করা এক হোটেল মালিক বলেন আমি মানছি আমাদের দোকান গুলি ফুটপাত ওভার করে রাস্তা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে, পেটের দায়ে ব্যবসা চালাতে হচ্ছে এখন আপনারা যখন বলছেন শীঘ্রই রাস্তা থেকে দোকান সরিয়ে ফেলব।
আরেক ব্যবসায়ী হোটেল মালিক রাজ্জাক বলেন, আমার দুপাশে আরো দুটি হোটেল রয়েছে তারা সামনে বাড়িয়েছে তাই আমিও বাড়িয়েছি তাই তারা যদি সরিয়ে ফেলে আমিও সরিয়ে ফেলব।
এ বিষয়ে বি আই ডব্লিউ টি এ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।