শিরোনাম
এ এইচ খান :: বরিশাল সদর উপজেলাধীন ৯নং টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর হতদরিদ্রের ভিজিএফের চাল ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পান্না হাওলাদার এর বিরুদ্ধে । জানা যায় যে গত ১/১০/২১ ইং রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার দিকে সোমরাজী মোল্লার হাওড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বাচ্চু প্যাদার কাছে ১০০ কেজি চাল বিক্রি করেন পান্না মেম্বার এবং ভ্যানযোগে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা স্থানীয় ভাবে আলোচনা সমালোচনা করেন পরে বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীরা অনুসন্ধান করে ঘটনার সত্যতা পাই, সোমরাজী মোল্লার হাওড়া গ্রামে বাচ্চু প্যাদা কাছে চাল বিক্রি করেন এই বিষটি তার স্ত্রী বিষয়টি স্বীকার করেন যে ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার পান্না হাওলাদারের কাছ থেকে তার স্বামী বাচ্চু ১০০ কেজি চাল কিনে এনেছে ৪ হাজার টাকা দাম দিয়ে। একথা বলে তিনি কেঁদে কেঁদে বলেন মোগো দোষ কি ভাই মোরা তো টাহা দিয়া চাউল কিনছি যদি ধরতে হয় তাদেরকে গিয়ে ধরুন। ভাই মোরা গরিব মানুষ মোগো কাছে বিক্রি করেছে আর মোরা কম দামে পাইছি তাই মোরা কিনছি আমাদের কি দোষ আমাদের যেন কোনো ক্ষতি না হয় ভাই ।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ এই শ্লোগানকে ধারণ করে যখন গরিব ও অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন আর এই সুযোগে কিছু সুযোগ সন্ধানী নিজেদের আখের গোছাচ্ছেন। জানা যায় যে পান্না হাওলাদার ও আরো দুই-একজন ইউপি সদস্য সহযোগিতায়, ইউনিয়নের অনেক জায়গায় তাদের পছন্দের লোকদের কাছে সরকারি চাল বিক্রি করেছে। এবং এর আগে সিংহেরকাঠী গ্রামের কাঞ্চন সিকদার এর কাছে ২শত কেজি চাল বিক্রি করে পান্না মেম্বার, ভ্যান চালক রাসেল কে দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কাঞ্চন সিকদারের বাড়িতে । গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ভ্যানে করে ক্রেতার বাড়ি সোমরাজী মোল্লার হাওড়া গ্রামে পান্না মেম্বার ১০০ কেজি চাল পাঠিয়ে দেয়।
জানাজায় এর আগে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনের চাল নিয়ে ও পান্না মেম্বার গরিমশি করে এবং প্রায় ২৪শ কেজি চাল লুটপাট করে ,এ ব্যাপারে টুঙ্গীবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রুস্তম আলী বলেন আগের চেয়ারম্যানের আমলে যে চাল ছিল তা বিতরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে এই পান্না মেম্বার ইউনিয়ন পরিষদের জেলে ও ৩০ কার্ডের চাল ছাড়াতে গিয়ে সেখান থেকে হতদরিদ্রদের জন্য দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত চাল বিক্রি করার মতো অভিযোগও পাওয়া যায় এবং বরিশালের স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে পান্না মেম্বারের বিরুদ্ধে।
ইউপি সদস্য মোঃ পান্না মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে চাল বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি রেগে জান এবং বলেন কার্ড অনুযায়ী চাল দেয়া হইছে যদি কেউ চাল বিক্রি করে থাকে তাহলে তাকে ধরেন, এবং আমাদের চেয়ারম্যান সাহেব আছে আপনি পরিষদে আসেন কথা বলে জান
এবিষয়ে টুংগীবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাম্মাৎ নাদিরা রহমানকে বক্তব্য জন্য মুঠোফোন কল দিলেও ফোন রিসিভ করে নাই।
এবিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন,২৫(১)১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে বলা হয়।অবৈধভাবে লাভবান হয়ার উদ্দেশ্য সরকারী চাল নিজেস্ব বসত ঘরে-মজুত রাখা, অথবা কালো বাজারে বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমানকে মুঠোফোনে কল দিলে বলেন, আমি ছুটিতে আছি আর বিষয়টি আমার জানা নেই।