শিরোনাম
বিশেষ প্রতিনিধি :: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে মাস্ক ছাড়া একজনও শহীদ মিনার এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দল পর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন এবং ব্যক্তি পর্যায়ে একসঙ্গে দুজনের বেশি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি প্রতি ইঞ্চি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। দিবসটি ঘিরে সুনির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও জঙ্গি কার্যক্রমের উপর কঠোর নজরদারি রাখা হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারকেন্দ্রিক তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। মাস্ক ছাড়া একজনও শহীদ মিনার এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
তিনি বলেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে আমরা এবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করতে যাচ্ছি। চারিদিকে করোনা পরিস্থিতি, টিকাদানও চলছে, কিছুটা ভীতি রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শহীদ মিনার এলাকায় যান চলাচল বরাবরের মতো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা। ছবি নিজস্ব্
নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, এবার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের সদস্যরাও থাকবেন। শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। এজন্য ডিএমপি কন্ট্রোল রুম থেকে তা মনিটরিং করা হবে। পাশাপাশি বোম ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াটসহ অন্যান্য ইউনিটগুলো সক্রিয় থাকবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা। ছবি নিজস্ব্
২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে জঙ্গিবাদী কার্যক্রম নজরদারি রাখা হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাধারণত এ ধরনের দিবসগুলো উপলক্ষে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ছোট ঘটনা ঘটিয়ে হলেও দৃষ্টি আকর্ষণের একটা চেষ্টা থাকে। শহীদ দিবস বাঙালির আবেগের একটি বড় জায়গা। এখানে ছোট্ট একটি ঘটনা ঘটাতে পারলেও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। জঙ্গি কার্যক্রম বা গতিবিধি নজরদারির জন্য আমাদের সাইবার ইউনিটগুলো সক্রিয় রয়েছে। আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্ততি আছে। আমরা মনে করি না এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটানোর সাহস তারা পাবে।
এ সময় কাউন্টার টেরোরিজম প্রধান ও ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম, গোয়েন্দা প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃঞ্চপদ রায়, রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান ও ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।