শিরোনাম
বাঁধন দাস দুর্জয় ঃঃ পরিক্ষার একদিন আগে মাঝরাতে নোটিশ দিয়ে জানায় পরিক্ষা হবে। আর সে নোটিশ বিকাল হতে না হতেই পরিবর্তন করে পরিক্ষা স্থগিত করে দেয়া হয় যখন হাজার হাজার শিক্ষার্থী দূর দূরান্ত থেকে ঢাকায় রওনা দিচ্ছিলো, অলরেডি অনেকেই পৌছে গিয়েছিলো ঢাকায়। আমি জানি না এটা যদি অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টের সাথে ঘটতো তাহলে কি হইতো??
ওরা কি আন্দোলন করতো না? ওরা কি অনশনে বসতো না? ওরা কি প্রতিবাদ করতো না?
এতক্ষণেতো দেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠে যাইতো, প্রতিটা চ্যানেলে চ্যানেলে খবর হয়ে যাইতো; আর আমরা কি করছি শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখালেখি করছি আর মিটিং সভা করে যাচ্ছি
অবশ্য আমাদের করার কি আছে এখানে, যেখানে আমাদের উপর মহল চুপ করে আছে। যেখানে নার্সনেতারা চুপ করে আছে
২-৩ ঘন্টার ব্যবধানে কারিগরিরা বিভিন্ন ছল, আন্দোলন করে আমাদের পরিক্ষা আটকায় দিছে আর আমরা কি করতে পারছি? কিচ্ছু না
আজকে হাজার হাজার নার্সিং শিক্ষার্থী ঢাকার রাস্তায় ঘুরছে, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চিন্তায় ডুকরে ডুকরে মরছে; কে নিবে এই দায়ভার? এখন #মিডিয়া কোথায়? #সাংবাদিক কোথায়? #DGNM কোথায়? #BNMC কোথায়?এভাবে আর কতো মানসিক অত্যাচার সহ্য করবো আমরা?
বাংলাদেশে শুধুমাত্র নার্সিং প্রফেশন নিয়েই কেনো এতো অবহেলা? যে নার্সদেরকেই ফ্রন্টলাইন ফাইটার বলা হয়, হাসপাতালের প্রাণ বলা হয়! জবাব চাই আমাদের…..!✊
গাছ লাগাইলো সরকার, সেখানে জল ঢেলে, আগাছা কেটে, যত্ন করে বড় করলাম ফল ধরালাম আমরা আর ফল খাওয়ার সময় আরেকদল বলবে ওদেরও ফল ভাগ চাই; এটাতো কোনোদিনও সম্ভব না।
আমাদের কারিকুলাম নিয়ে আঙুল তুলার সাহস করে কিভাবে অশিক্ষিতের দলগুলা
সময় আসছে আরেকবার #নার্সিং_ও_মিডওয়াইফারী’দের একসাথে গর্জে ওঠার✊
আমাদের সাথে এই অবিচার মানি না, মানবো না
অতিবিলম্বেই আমাদের স্থগিত করা পরিক্ষা নিতে হবে, নিতেই হবে
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীর দাবী
১.দাবী মোদের একটাই,কারিগরী মুক্ত নার্সিং চাই।
২.কারিগরী হটাও, নার্সিং বাচাও।
৩.বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, নার্স কেন রাস্তায়,
মিডওয়াইফ কেন রাস্তায়,শেখ মুজিবের বাংলায়।
৪.স্বাস্থ্যসেবায় কারিগরী, রোগীদের গলায় দড়ি।
৫.লাইসেন্স পরীক্ষা স্থগিত কেন,জবাব চাই জবাব দাও।
খোন্দকার মো: সাইফুল্লাহ।
আহবায়ক
স্টুডেন্ড নার্সেস অ্যান্ড মিডওয়াইফ সম্মিলিত পরিষদ, বরিশাল শাখা।