শিরোনাম
প্রভাষক আমিনুর রহমান শামীম( বিশেষ প্রতিনিধিঃ) আজ ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দলটির সর্বজন প্রিয় নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৯ সালের এই দিনে ৬৭ বছর বয়সে ব্যাংককে ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান ৷
মৃত্যুর সময় তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ওই সময় তিনি সদ্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও পুনরায় এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন ৷
সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতাকর্মী সহ দেশবাসী সেদিন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন। বরিশাল-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশী ও আওয়ামী লীগ নেতা আরিফিন মোল্লার বরিশালস্থ বাসভবনে সেদিন তার বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিলো।
আওয়ামী লীগের নক্ষত্র তুল্য প্রিয় নেতার মৃত্যুর খবরে সেদিন সেই বিবাহ বার্ষিকীঅনুষ্ঠান বন্ধ করে আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে অঝোরে কেঁদেছিলেন আরিফিন মোল্লা। তিনি বলেছিলেন ” আমি সৈয়দ আশরাফ স্যারের হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছি। তিনি আমার রাজনৈতিক দৃষ্টি দান করেছেন। তাই ভোগ নয়, মানুষের জন্য কিছু করতে এসেছি! আশরাফ স্যার প্রায়ই আমাকে একটা কথা বলতেন, যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবে না, ভোগের রাজনীতি নয় বরং মানুষের জন্য রাজনীতি করবে ততদিনই মানুষ তোমাকে পাশে চাইবে।”
অতঃপর আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে আরিফিন মোল্লা প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। সেই থেকে বর্ষীয়ান এই প্রয়াত নেতার স্মৃতি স্মরণ করে কেঁদে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা যুব বন্ধু আরিফিন মোল্লা।
আরিফিন মোল্লা সেদিন আবেগ আপ্লূত ও কান্নাভেজা কন্ঠে উপস্থিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অতিথিদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, সৈয়দ আশরাফ স্যারউন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের রাজনীতি ব্যাংককে ছিলেন! সেই অবস্থায় তিনি দেশে না থেকেও ৩০ ডিসেম্বর (২০১৮) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। আশরাফুল ইসলাম ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেন।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭০ বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ–সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ৭৫-এ বঙ্গবন্ধু ও তার ববাসহ জাতীয় চার নেতা হত্যার পর তিনি লন্ডন চলে যান ৷
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি এমপি নির্বাচিত হন এবং আওয়ামী লীগের মহাজোট সরকারে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় মেয়াদেও তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান ৷ ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব নেন।
| নামাজের সময়সূচি | |
|---|---|
| November 4, 2026 | |
| Fajr | 4:48 am |
| Sunrise | 6:01 am |
| Zuhr | 11:41 am |
| Asr | 3:42 pm |
| Maghrib | 5:22 pm |
| Isha | 6:35 pm |
| Dhaka, Bangladesh | |
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | ||||||
| 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 |
| 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 |
| 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 |
| 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 |
| 30 | ||||||