শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক।।চিকিৎসা সেবায় স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ইকবাল হোসেন এর বিরুদ্ধে নারি কেলেঙ্কারির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্র জানা যায়, চলতি সপ্তাহের গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একই প্রতিষ্ঠানের pabx হটলাইনে কর্মরত নারী সহকর্মী মুন্নির ভাড়া বাসায় ( আরশেদ আলী লেন) আরশেদ আলী কন্টাক্টরের বাড়ীতে অবস্থান করছিলেন পপুলারের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ইকবাল হোসেন। বিষয়টি যেকোনো ভাবে টের পায় ইকবালের স্ত্রী। যথাসময়ে ইকবাল হোসেনের স্ত্রী, মুন্নির ফ্ল্যাটে গিয়ে হাতে নাতে ধরেন তার স্বামীকে। ফেসবুকের একটি পেইজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় ইকবালের স্ত্রী তার স্বামীকে রাগান্বিত কন্ঠে প্রশ্ন করছেন এখানে তোমার কি, এখানে কেন এসেছো। ভিডিও চলাকালীন সময়ে ক্যামেরাম্যানের ওপরে আঘাত করতেও দেখা যায় মুন্নিকে।
যদিও এসব বিষয় মুখ খুলেননি ইকবালের স্ত্রী। মুঠোফোনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র। স্বামী ইকবালকে ফাঁসাতেই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। যদিও ইতিপূর্বে পপুলারের নারী কর্মী কলাপাড়ার মেয়ে নাফসি সহ একাধিক নারীর সাথে মার্কেটিং এক্সিকিউটিভি ইকবালের বিরুদ্ধে আরও নারী কেলেঙ্কারির বিষয়ে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে ওই নারী কর্মী নাফসি এবং মুন্নি কেউই আর কর্মস্থলে নিয়মিত নন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ইকবাল হোসেন এর একাধিক নারী কেলেঙ্কারি থাকলেও তার বিরুদ্ধে এখনো কোনো প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে সরেজমিনে নগরীর বাংলাবাজারে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গেলে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মোশারফ হোসেনকে পাওয়া যায়নি এবং তার পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার জনাব মাহমুদকে না পেয়ে তার মুঠোফোনে ফোন কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিচ তলায় অবস্থিত অভ্যর্থনা ডেক্স এ অবস্থানরত এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার পরিচয় দানকারী মনিরুজ্জামান বলেন, ইকবালের নারি কেলেঙ্কারির বিষয়ে আমিও শুনেছি তবে এসবের দায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বহন করবে না।
স্থানীয় সচেতন মহলের কয়েকজনের দাবি, কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ উঠলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা উচিত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তারা।