শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল নগরীর ১১নং ওয়ার্ডে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে আনসার সদস্য শফিকুল ইসলামের হাতে মারধরের অভিযোগ পাওয়া যায়।
গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর বিকাল আনুমানিক ৬ ঘটিকা সময় এঘটনা ঘটে।উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলীর দপ্তর
বাবুগঞ্জ পওর উপ-বিভাগ। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। বি আই পি কলোনী, গেট এলাকায়, অনুপ্রবেশের জন্য এক প্রতিবন্ধীকে মারধরের অভিযোগ করেন তার বড় ভাই মোঃ নয়ন হাওলাদার।
বৃদ্ধি প্রতিবন্ধীর বড় ভাই মোঃ নয়ন হাওলাদার বলেন, আমার ছোটো ভাই জাহাঙ্গীর বৃদ্ধি প্রতিবন্ধী সে না-বুঝে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে প্রবেশ করায় আনসার সদস্য শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তী
মারধর করেন। আমাদের কাছে স্থানীয় একজন ফোন দিলে আমরা এসে দেখি আমার ভাইকে মারধর করতে আছে আমরা প্রতিবাদ করায় আমাদের উপরে চড়াও হলে আমরা থানায় ফোন দিলে ঘটনা স্থানে পুলিশ প্রশাসন আসেন।
এবিষয়ে ডিউটিরত অফিসার এ এস আই, বারেক বলেন, অনুপ্রবেশ করায় আনসার সদস্য শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তী বাঁধা দেওয়ার তার সাথে কথা-কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়,এতে আনসার সদস্যের পরিহিত পোশাক ছিড়ে যায় ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে মারধরের কিছু আলামত দেখা যায়।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধীর বোন নাজমা বেগম বলেন,আমার ভাইকে আনসার সদস্যরা মারধর করেন তাকে ছাড়িয়ে নিতে আমাদের মুচলেকা দিয়ে নিতে হচ্ছে।মুচলেকায় উল্লেখ, আমি নাজমা বেগম, পিতা বারেক ঘরামী,মাতাঃ মিনারা বেগম, গ্রামঃ চাঁদমারী ১১নং ওয়ার্ড ডাকঘর বরিশাল সদর উপজেলা বরিশাল। আমার ভাই জাহাঙ্গীর আলম ঘরামী, পিতাঃ বারেক ঘরামী, মাতা মিনারা বেগম, গ্রাম চাঁদ মারী ১১নং ওয়ার্ড এর পক্ষে মুচলেকা দিচ্ছি যে, অদ্য ১৯/৯/২০২১/ তারিখে কলোনিতে সীমানা প্রাচীর টপকে অবৈধ প্রবেশকালীন সময় রোজ রবিবার সময় ১৮,৫০ ঘটিয়ে বাপাউবো, বি আই পি কলোনিস্থ কর্তব্যরত আনসার সদস্য কার্ড নং ৭৬৩০০, জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও গায়ে হাত দেওয়াসহ পোশাক ছিড়ে ফেলেন। এরূপ অসৌজন্যমূলক এবং আইন বিরোধী কাজ জাহাঙ্গীর আলম ঘরামী কর্তৃক ভবিষ্যতে আর কখনো সংঘটিত হবে না বলে আমি নাজমা বেগম মুচলেকা পত্রে স্বাক্ষর করলাম। ভবিষ্যতে জাহাঙ্গীর আলম ঘরামী এরূপ কার্যক্রম করলে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নিলে আমার কোনো আপত্তি থাকবেনা।আমি স্ব শরীরে এবং সুস্থ জ্ঞানে উপরের মুচলেকায় সাক্ষর করিলাম। এই মুচলেকা দিয়ে আমার ভাইকে নিতে হইছে।
এবিষয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমার ভাইকে নিয়ে থানায় গিয়েছিলাম ডিউটি অফিসার বলছে আগে ডাক্তার দেখাতে পরে এসে অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে।
এবিষয়ে আনসার সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, বহিরাগত প্রবেশের জন্য নিষেধ করায় এ ঘটনা ঘটেছে।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীর আলম ঘরামীকে টাকার অভাবে ডাক্তার দেখাতে পারেনি তাই বাসায় নিয়ে যায়। বিস্তারিত আরো আসছে আগামীকাল