শিরোনাম
আমতলী(বরগুনা) থেকে মো. মিজানুর রহমান : মুজিববর্ষ উপলক্ষে বরগুনার আমতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে অসহায়, দরিদ্র, ভূমিহীন ও গৃহহীন ছিন্নমুল মানুষদের মধ্যে আরো ৩৫০ পরিবার ঘর পাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে তারা মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবেন। প্রথম ধাপে ৫২টি পরিবার ঘর পেয়েছেন। আগামী মাসের মধ্যে আরও ৩৫০টি পরিবার ঘর পাবে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র ও গৃহহীন পরিবার ।
১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের কার্যক্রম শুরু করেন। মুজিববর্ষের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন এ বর্ষে কেউই গৃহহীন থাকবে না। সে আলোকে অসহায় ও গৃহহীনরা ঘর পাচ্ছেন।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রথম দফায় ০০০ টি গৃহহীন পরিবারকে দ্বিতীয় দফায় ঘর দেওয়া হচ্ছে। তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের গৃহহীন অসহায় পরিবারকে ৩৫০ পরিবারকে ঘর প্রদান করা হবে।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমান ঘর প্রদানের বিষয় বলেন , গৃহহীনদের ঘর দান প্রধানমন্ত্রীর বৈপ্লবিক ঘোষণা। গৃহহীনরা মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক জীবনের সূচনা লগ্ন থেকে পিতার আদর্শে অটুট থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য কাজ কওে যাচ্ছেন।
বরগুনা- ১ আসনের সংসদ সংসদ অ্যাড ধীরেন্দ্র দেবনাথ সম্ভু বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহহীন পরিবার পেয়েছে তাদের স্বপ্নের আবাসস্থল।বরগুনা ১ আসনে শত শত গৃহ রয়েছে নির্মাণের অপেক্ষায়। গৃহহীন মানুষ খুঁজে পাবে তাদের শান্তির নীড়। অনুভব করবে রাষ্ট্রীয় অভিভাবকত্ব।তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক জীবনের সূচনা লগ্ন থেকে পিতার আদর্শে অটুট থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছেন। এসময় তিনি আরো বলেন যারা ঘর নির্মান করবেন তারা যেন সততার সাথে ঘর নির্মান করেন। ঘর নির্মানে অনিয়ম করলে তাদের ছাড়া হবেনা।