শিরোনাম
মোঃ শাহিন আলম পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ঃঃ।
সাগর কন্যা পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলঙ্গে ২০১৫ ইং সনে অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ে হাটি হাটি পা পা করে বর্তমান কলেবরে উন্নতি হয়েছে।
০১। সমাজকল্যান মন্ত্রনালয়ের স্মারক নং .৪১.০০.০০০০.০৫৪.০২.০০২. ১৮-১২৯
তারিখ:২৫.০৪.২০১৮ মোতাবেক জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর পটুয়াখালী এর উপ-পরিচালক মহোদয় ১৭/০৪/২০১৮ ইং তারিখ বিদ্যালয়টি পরিদর্শন পূর্বক সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ে প্রতিবেদন প্রেরন করেন। স্মারক নং- ৪১.০১.৭৮০০.০০০.১৬.০০৪.১৯.৪১৫ তারিখঃ .. ০৯. ০৬.২০১৯
০২। স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য (সাবেক ও বর্তমান) বিদ্যালয়টিকে এমপিও ভুক্তির বিষয়ে ডি.ও. লেটার প্রদান করেছেন।
০৩। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মহোদয় বিদ্যালয়টি এমপিও ভূক্তির বিষয়ে সুপারিশ করেন। যা সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ের যথারীতি প্রেরন করা হয়েছে।
০৪। সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ের প্রদত্ত বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক বিদ্যালয়ের রচিত তথ্যাবলীসহ অনলাইনে আবেদন করা হয় যার ট্র্যাকিং নাম্বার ২০২০১০০০৩৫৬। পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার একমাত্র বিশেষ প্রতিষ্ঠান।
বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণী নিম্নরুপ:
০১। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল জানুয়ারী,২০১৫।
০২। বিদ্যালয়টি পটুয়াখালী জেলাধীন এম. এ. হাকিম প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত।
০৩। বিদ্যায়ের নিজস্ব জমির পরিমান ৫০ শতাংশ।
০৪। স্থাপনা পাকা ভবন-০১টি, সেমি পাকা-০১টি,টিনসেট সহ-০৩ টি, অভিভাক সেড-০১ টি, শহীদ মিনার-০১টি।
০৫। ভ্যান সংখ্যা-০৭ টি চালকসহ।
০৬। মা ও শিশু শ্রেনী হতে— অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা-২৫৪ জন।
০৭। শিক্ষক সংখ্যা- ২৮ জন, কর্মচারী- ২৫ জন।
০৮। কারিগরি শাখায় প্রশিক্ষক-০৩ জন। সেলাই, ব্লোক -বাটিক ও বৈদ্যুতিক কাজের হেল্পার হিসেবে কর্মদক্ষতা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষন কার্যক্রম চলমান আছে। তাছাড়াও রয়েছে কুটির শৈল্পিক প্রশিক্ষন ব্যবস্থা। ২০১৮ ইং সন হতে চলমান এ কার্যব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা অনেকটা দক্ষতা অর্জন করেছে। যা অচিরেই তাদেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলবে আশা করি ।
০৯। বিদ্যালয়ে চলমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের বাৎসরিক পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষ জনক। পিএসপি পরীক্ষায় অবতীর্নদের তিন বছরের ফলাফল ৬০% উত্তীর্ণ হয়েছে এবং অত্র বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক শাখায় ভর্তি হয়ে ২০২০ সালে অষ্টম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত।
১০। অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশ মূলধারায় ফিরে যাওয়ার স্বাভাবিকত্ব অর্জন করেছে।
১১। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়েত্ত পিছিয়ে নেই অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অন্যান্য সাধারন বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাথে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে প্রতিযোগীতা করে উপজেলা পর্যায়ে তারা পুরুস্কার পেয়ে আসছে। প্রতিবন্ধীরা যে এখন কোন দিক থেকে পিছিয়ে নেই ইহাতার প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত এবং উজ্জ্বল সম্ভাবনা বটে।
১২। বিদ্যালয়ে বিদ্যমান সেবা দান কর্মসূচী সহ গরীব ও দুস্থদের জন্য সম্ভবমত সাহায্য ব্যবস্থা চালু আছে।
১৩। ভুক্ত ভোগীরা মনে করছেন তারা এখন সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করতে সফল হয়েছে। তারা আর পিছিয়ে থাকতে রাজী নয়। সাফল্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তাদের দোরগোড়ায়।
১৪। শিক্ষক- কর্মকর্তা,কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পরিষদ ও ব্যবস্থাপনা পরিষদ আস্থাবান যে সরকারের চলমান কল্যানমূলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করত: সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা পালনে সক্ষম হয়েছে।
১৫। উপজেলা তথা দক্ষিন অঞ্চলবাসী অত্র প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানটির উত্তর উত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং অবিলম্বে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার সাথে সাথে আবাসিক ক্যাম্পাস গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষন করেন। স্থানীয় উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এবং প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা কর্তৃক সফলভাবে পরিচালিত অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি যাতে সরকারী করন করা হয় তার জন্য দক্ষিন অঞ্চলবাসী প্রতিবন্ধীবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, দেশরত্ন ও মানবতার জননী জননেত্রী শেখ হাসিনার সদয় সহানুভূতি কামনা করছি।