জনি আলমগীর, কুয়াকাটা( কলাপাড়া) প্রতিনিধি। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মো. ইদ্রিস (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার(৩ রা মার্চ) সকাল ১০ টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।
মৃত ইদ্রিস দক্ষিন দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারী বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে সে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরি সহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোষ্ট দেয় এবং কমেন্ট করে। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে সে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সে পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহির সহ তার সহযোগীরা তাকে ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়নগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গতকাল রাত দশটার দিকে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিলো। তবে তিনি বা তার সহযোগিরা কোন মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
###
জনি আলমগীর
কুয়াকাটা কলাপাড়া প্রতিনিধ।
০১৭৩৪৭৭৩৫৮০