বাউফল প্রতিনিধি পটুয়াখালী জেলার বাউফলের কালাইয়া রব্বানিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ এস এম আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মোঃ মহিবুল্লাহ।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সালে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর থেকে তিনি একক কর্তৃত্বে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন এবং অনুগতদের মাধ্যমে পরিচালনা কমিটি গঠন করেছেন। ফলে তার কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ প্রশ্ন তুলতে সাহস পাননি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে শিক্ষকদের বেতন স্কেলের ২০% হারে মোট ১,১২,০৯০ টাকা বিতরণ করা হলেও, ভাউচারে দেখানো হয়েছে ৬,৪২,৭৩০ টাকা। এক শিক্ষিকা অভিযোগ করেন, তাকে ৩,২০০ টাকা দেওয়া হলেও কাগজে দেখানো হয়েছে ২৩,২০০ টাকা। সরকারি টিউশন ফি, বই বিক্রির অর্থ ও নুরানি বিভাগের ২০২০-২০২৪ সালের আয়-ব্যয়েরও কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই বলে দাবি শিক্ষকদের।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, টাইম স্কেল ও বেতন সংশোধনের জন্য জোর করে অর্থ আদায় করা হয়েছে এবং উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সভায় অধ্যক্ষ কিছু ‘ভুল’ স্বীকার করে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলেও পরিস্থিতির উন্নয়ন হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ এ এস এম আবদুল হাই বলেন, “সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মাদ আরেফীন জানান, অভিযোগটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মহসিন উদ্দীনের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করবেন।
মো. অহিদুজ্জামান ডিউক
০১৭১১১৩৬৭০২
১১.০৫.২৫