মনজুর মোর্শেদ তুহিন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভূয়া, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জনগন।
২৫ আগষ্ট (রবিবার) সকালে পটুয়াখালী সদর উপজেলা লাউকাঠি ইউনিয়নের লাউকাঠি বাজারে মানববন্ধন করছে ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা। প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধন শেষে চেয়ারম্যানের পক্ষে স্লোগান দেয় উপস্থিতরা।
জানা যায়, ২য় বারের মত মোঃ ইলিয়াস হোসেন লাউকাঠি ইউনিয়নে চেয়ারম্যন হিসেবে নির্বাচিত হন। ইউনিয়নে তার সপক্ষে ব্যপক সমার্থনের একটি জনবল রয়েছে যাহারা শ্রমজীবী ও দরিদ্র শ্রেনীর। জনপ্রতিনিধি ছাড়াও তিনি নিজে একজন সফল ব্যবসায়ী। প্রতিনিধি হওয়ার পূর্বেও তার অর্জিত উপার্জন দিয়ে এলাকার দরিদ্র মানুষের বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা করার সুনাম রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এবারের নির্বাচনে ব্যপক জনসমর্থনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ঈর্ষণীয় তাহার এই সাফল্য বিরোধীপক্ষের কাছে হয়ে ওঠে বিষের কাটা। সরকারী বিধি অনুযায়ী কাজ ও তদারকির কারনে তার এলাকায় অনিয়ম প্রায় শূন্যের কোঠায়। এতে সরকারী কাজ থেকে সুবিধাবাদী ইউপি সদস্যরা তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরী করে। সঙ্গে যোগ দেয় চেয়ারম্যান ইলিয়াসের বিরোধীপক্ষের কিছু লোক। গত ২২ আগষ্ট চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস হোসেন ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে বসার পূর্বেই কিছু ক্ষুব্ধ ইউপি সদস্য ও তার সহযোগিরা পরিষদের সামনে হট্টগোল করে চেয়ারম্যন কক্ষে তালা লাগায়।
মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান ইলিয়াস হোসেন এলাকায় সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে। চেয়ারম্যন হওয়ার আগেও এলাকার দিকে নজর ছিল এখনো কাজ নিয়ে আছে।বিগত দিনের চেয়ারম্যনরা কখনো উন্নয়নের দিকে নজর দেয় নাই বরং সবাই আখের গুছাতে ব্যস্ত ছিল। অসাধু ইউপি সদস্যরাও সরকারি কাজ লুটপাটে ব্যস্ত ছিল এখোনা তাই চাচ্ছে। চেয়ারম্যান তাদের কোন লুকোচুরির সুযোগ না দেয়ায় তার বিরুদ্ধে উঠেপরে লেগেছে। খারাপ মেম্বরদের সঙ্গে নিয়ে কিছু লোক চেয়ারম্যনের রুমে তালা লাগিয়েছে। আমরা সকল জনগন মিলে চেয়ারম্যানের রুমের তালা ভেঙে ইলিয়াস ভাইকে পরিষদের চেয়ারে বসাব।