রিপন রানা,সাইদুল ইসলাম:: বরিশাল ::বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব পেয়েছেন বরগুনা (পাথরঘাটার) কৃতি সন্তান সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন।
ক্যারিশমাটিক নেতা হিসেবে পরিচিত আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি ২০০১ সালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন।
গত (২০আগষ্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী'র সাক্ষরিত,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অফিসিয়াল প্যাডে
বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নুকে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের ভাইস-চেয়ারম্যানের পদ পেয়ে আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি বরিশালটাইমস'কে বলেন,‘দলের এখন যে পরিস্থিতি, দলের এমন অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন এবং যে আস্থা আমার ওপর রেখেছেন, আমি তা যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করবো। দেশে একটি ক্রান্তিকাল চলছে, একটি স্বৈরাচারী শাসক পালিয়ে গেছে। ১৫ বছর এই দেশের মানুষ জুলুম, নির্যাতন,অন্যায়,অবিচার,নিষ্পেষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সকল কিছু মোকাবেলা করেছে। তবে এখন একটি ভালো পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমি চেষ্টা করবো বিএনপির মাধ্যমে মানুষ যাতে সুফল ভোগ করতে পারে। আগামী গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের সব সংসদীয় আসন যাতে বিএনপি পায়, ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে সেদিকে আমার বিশেষ দৃষ্টি থাকবে।’
এছাড়াও তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে আমি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং যারা আহত হয়েছেন প্রয়োজনে বিদেশে নিয়ে তাদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি দাবি জানাই। স্বৈরাচারী শাসক অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিকভাবে দেশকে ধ্বংস করেছে। দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। দেশের সব স্তম্ভ ধ্বংস করেছে হাসিনা সরকার। দলকে সঙ্গে নিয়ে আমরা চেষ্টা করব ধ্বংসযজ্ঞ থেকে দেশকে একটি গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত করার। পাশাপাশি বর্তমান সরকারকেও আমরা সহযোগিতা করব।’
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার জন্য ভারত প্রচণ্ডভাবে কাজ করেছে। এখন তা থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে। ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। আমরা সবকিছু সুসংগঠিত করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে চাই। কখনোই যেন বর্গীরা, বিশেষ করে ভারত যেন কালো হাত দিয়ে আমাদের কোন কিছু দখল করতে না পারে, সেজন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো।’