পাথরঘাটায় প্রতিনিধি ::পাথরঘাটা থানার ৭ নং কাঠালতলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড কালিপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ও পূর্বশত্রুতার জেরে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষরা। গত ৬ মে শুক্রবার দুপুর ১ টার সময় কালিকাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।এতে আহতরা হলেন ৮ নং ওয়ার্ড কালিপুর গ্রামের জামাল হোসেনের স্ত্রী হালিমা বেগম (৪৫) ও তার মেয়ে লাইজু (২০)। পরে স্থানীয়রা আহতদের মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে পাথরঘাটা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে আহতদের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে আহতদের শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। পরে সেখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে উভয় শেবাচিমে ও পাথরঘাটা থানা কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত সূত্রে জানা যায় পার্শ্ববর্তী আনসার মল্লিকের ছেলে শাহিন মসজিদে জুম্মার নামাজে গেলে প্রতিবেশী জামাল হোসেনের ছেলে ইমনের কাপড়ে কালির দাগ লাগিয়ে দেয়। এ ঘটনায় ইমন তার মা-বাবার কাছে জ্বালালে ইমনের মা হালিমা বেগম ও বোন লাইজু প্রতিপক্ষ শাহিনের মা নুর নাহার বেগমের কাছে অভিযোগ দিতে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ইমনের মা হালিমা বেগম ও বোন লাইজুকে উল্টো গালমন্দ শুরু করে। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহিনের বড় ভাই শামিম মল্লিক মা নুরনাহার বেগম ও ভাই শাহীন সহ অজ্ঞাত দুই-তিনজন ধারলো দা দিয়ে হালিমা বেগম ও লাইজুকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। পরে আহতদের ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশের মাধ্যমে মূমুর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত সূত্রে আরো জানায় এ ঘটনার বেশ কিছুদিন আগে প্রতিপক্ষ শামীম মল্লিক আহতদের বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের মোবাইল ও টাকা পয়সা চুরি করে নেওয়ার সময় হালিমা বেগম ও লাইজু দেখে স্থানীয় চৌকিদার, মেম্বার ও চেয়ারম্যান কে জানালে তারা সালিশ ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আর এই পূর্বশত্রুতার জের ধরে মা ও মেয়েকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে যখম করে শামিম ও তার পরিবার। বর্তমানে আহত হালিমা বেগম পাথরঘাটা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে ও অপর আহত লাইজু শেবাচিমে মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।