নিজস্ব প্রতিবেদক ::আগামীকাল ১৯ নভেম্বর বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র জন্মদিন। ৪৮ বছর পুর্ন করলেন ৪৯ বছরে পা রাখলেন তিনি। ১৯৭৪ সালের এই দিনে তিনি বরিশালের আগৈলঝাড়ার উপজেলার সেরালের পৈত্রিক নিবাসে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক, সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর জীবদ্দশায় নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে আজ নিজেকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে যখন নির্বিচারে হত্যা চালানো হয়েছিল তখন সাদিক ছিলেন তার মায়ের কোলে। সাদিক আবদুল্লাহ মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি সবসময় শুকরিয়া আদায় করে বলে থাকেন, হয়তো জনগণের সেবা করার জন্য সেদিন তাকে আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। আগস্ট ট্রাজেডির পর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে সাদিক আবদুল্লাহকে পলাতক জীবনযাপন করতে হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানসহ ভারত গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
সেখান থেকে দেশে ফেরা, আবার আমেরিকায় গিয়ে প্রবাস জীবনযাপন এতো কিছুর মধ্যেও ধৈর্য্য হারাননি তিনি। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান সাদিক আবদুল্লাহ অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন আর অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে তিলে তিলে নিজেকে তৈরি করেছেন। তিনি সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেছেন বছর দশেক হলো। এক যুগেরও কম সময় সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও এই কম সময়েই তিনি নিজেকে আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে আজ তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের জন্য একজন অপরিহার্য্য নেতা হিসেবে আর্বিভূর্ত হয়েছেন। তিনি হয়ে উঠেছেন গণমানুষের একজন। তরুন প্রজন্মের গর্ব।
২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার সুযোগ পান এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আজ নগরীর সর্বোচ্চ মসনদে আসীন হলেও তিনি সবসময় থাকতে চান জনতার কাতারে।
তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।’