নিজস্ব প্রতিবেদক: – চলতি মাসেই উদ্বোধন হবে বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পায়রা সেতুর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতু উদ্বোধন করবেন। সংশ্লিষ্টরা উদ্বোধনী আয়োজন বেশ জোরেশোরে চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার শেষ নেই।
স্রোতস্বিনী পায়রার বুকে এখন আড়াআড়ি বুক ফুলে দাঁড়িয়েছে সেতুটি। দেশের দ্বিতীয় এক্সট্রা ডোজ ক্যাবলের এ সেতুর উদ্বোধন হলেই বরিশাল থেকে সড়কপথে কুয়াকাটা সৈকতে পৌঁছানো যাবে মাত্র দুই ঘণ্টায়। আর রাজধানী ঢাকা থেকে লাগবে বড়জোর ৭-৮ ঘণ্টা। সেতুটি চালু হলে সময়ের এ হিসাবটা এক ধাক্কায় কমে দাঁড়াবে ৫-৬ ঘণ্টায়। তাইতো পদ্মার পাশাপাশি পায়রা সেতুকে ঘিরে এখন আগ্রহের খই ফুটছে সবার মনে। কর্মকর্তারাও বলছেন, চলতি মাসেই উদ্বোধনের পর যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে এ সেতু।
একটা সময় ছিল বরিশাল থেকেই সড়কপথে কুয়াকাটা যেতে সময় লাগত ৯-১০ ঘণ্টা। তখন কীর্তনখোলা আর পায়রাসহ বরিশাল-পটুয়াখালীর ৬টি নদী পার হয়ে পৌঁছতে হতো কুয়াকাটায়। বরিশাল নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘তখন সূর্যোদয়ের সময় বরিশাল থেকে রওয়ানা হয়ে কুয়াকাটায় গিয়ে সূর্যাস্ত দেখা কঠিন হয়ে পড়ত।’ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে এই ৬টি নদীর মধ্যে ৫টিতেই ব্রিজ হয়েছে। বাকি থাকা পায়রা নদীর উপরও দাঁড়িয়েছে গর্বের সেতু। ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই নির্মাণ শুরু হওয়া এই সেতুটির এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। সাড়ে ৯ বছর ধরে নির্মাণযজ্ঞ চলার পর যানবাহন চলাচলের জন্য এটি এখন প্রস্তুত।