রিপন রানা =লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হলেও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। বরিশাল লঞ্চঘাটের প্রতিটি লঞ্চের ডেকে যাত্রী তোলা হয়েছে ঠাসাঠাসি করে। সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা থাকলেও তা মানেন নি কোনো লঞ্চের মালিক।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কথা ছিল বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে প্রত্যেকটি লঞ্চ ছাড়বে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে। কিন্তু সরেজমিনের চিত্র পুরোপুরি উল্টো।
বরিশাল লঞ্চঘাট ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যেকটি লঞ্চের ডেকে যাত্রী তোলা হয়েছে ঠাসাঠাসি করে। প্রত্যেক যাত্রীর পাশে জায়গা ফাঁকা রাখার নির্দেশনা থাকলেও তা মানেন নি কোনো লঞ্চের মালিক। যাতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান যাত্রীরা।
বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওয়ানা হওয়া সেলিম খান বলেন, 'ভাড়া বাড়ানো হয়েছে কিন্তু লঞ্চের সিট খালি নাই। সরকারিভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যাত্রী কম নেবে, ভাড়া বেশি নেবে। দুইজনে সিটে একজন নেয়ার কথা ছিল, এখন দেখি প্রত্যেক সিটেই যাত্রী এবং সিট ছাড়াও অতিরিক্ত যাত্রী নিয়েছে।'
তাদের শঙ্কা, গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ডেকে এভাবে যাত্রী নেয়ার লঞ্চ থেকে উল্টো করোনা ছড়াতে পারে।
এবিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ, যুগ্ম - সচিব (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন। আমরা মাঝের মধ্যে ম্যাজিস্ট্যাট দিয়ে অভিযান চালানো হয়। মাস্ক ছাড়া কাউকে লঞ্চে প্রবেশ নিষেধ ও মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করলে তাকে ম্যাজিস্ট্যাট দিয়ে জরিমানা অথবা অর্থ দন্ড করানো হয়। ও লঞ্চ মালিকরা সরকারি নির্দেশ অমান্য করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।