প্রতিনিধি বাউফল::পটুয়াখালী বাউফলের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তিনি প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। উপজেলার কিছু সংখ্যক প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গেও রয়েছে তার দহরম মহরম। বিণামূল্যে চিকিৎসাসেবা, পরীক্ষা নিরীক্ষা এমনকি কোম্পানী থেকে পাওয়া স্যাম্পল ওষুধ উপহার উপঢৌকন দিয়ে প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে চলেন তিনি। আর এসব যোগ্যতার আড়ালে উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড সহ ঘরের স্ত্রীর উপরও চালান শাররীক মানসিক নির্যাতন। ওই চিকিৎসকের নাম এএসএম সায়েম। তিনি বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক। এএসএম সায়েমের স্ত্রী সানজিদা ইসলাম জেসমিন বলেন, আমরা স্বামী স্ত্রী দুজনই চিকিৎসক। ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল পারিবারিক সম্মতিতে আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আমার বাবা প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে আমাকে শ্বশুর বাড়ি তুলে দেন। বিয়ের সময় বাবার বাড়ি থেকে দেয়া স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র পেয়েও খুশি হননি আমার স্বামী। তাই বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবীতে শুরু হয় অকথ্য নির্যাতন। নির্যাতন সইতে না পেরে এক পর্যায়ে আমি শশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি ফিরে যাই। ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি আমার বাবার বাড়িতে বিষয়টি নিয়ে একটি শালিস বৈঠক বসে। উভয় পক্ষের মুরুব্বিরা ওই শালিস বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তখন আমার স্বামী ও শশুর আমার বাবার কাছে বাড়ি করার জন্য ৩০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করেন। যৌতুকের টাকা না দিয়ে আমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেয়া হবে না বলে শাসান। এরপর উপায় না পেয়ে আমি ওই বছরের ১২ জানুয়ারী পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। মামলা করার পর থেকে আসামীরা আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে। মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তহীনতার ভুগছি। আমি ন্যায় বিচার চাই। এ ব্যাপারে ডা. সায়েম জানান, একটি মহল আমাকে এহেন অপবাদ দিচ্ছে, যার কোন ভিত্তি নাই। তাছাড়া ওই পরিবারের সাথে আমার মামলা চলমান রয়েছে। পরিবারটি আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য নয়া কৌশল অলম্বন করছে।