আমতলী (বরগুনা) মো. মিজানুর রহমান মিজান : বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়ন ও পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ঘোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবগী ও টেপুরা খালের উপর নির্মিত আয়রন ব্রিজটির ¯একপার ভেঙ্গে পড়ায় চলাচল বন্দ রয়েছে দুটি ইউনিয়নের ১০ টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের ।
হলদিয়া ইউনিয়নের টেপুরা বাজার সলঘœ এ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন বলইবুনিয়া , নলুয়াবগী , টেপুরা , উত্তর টেপুরা , দক্ষিন টেপুরা , তক্তাবুনিয়া গ্রামের জনসাধারন চলাচল করেন। ৪/৫ বছর পূর্বে ¯িøপার ভেঙ্গে যায় তখন স্থানীয়রা চাঁদা তুলে জোড়া তালি দিয়ে চলাচল করছে । সম্প্রতি ব্রিজটির ¯িøপার এমন ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে জনগনের দূভোর্গের কোনো শেষ নাই বলে জানান, ভুক্তভোগীরা।
টেপুরা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবু সালেহ বলেন ব্রিজটির ¯িøপার ভেঙ্গে পড়ায় সাধারন মানুষের চলাচল বন্দ রয়েছে। গলাচিপা উপজেলা এল জি ইডি সূত্রে জানা গেছে ২০০৫ সালে টেপুরা খালে এ আয়রন ব্রিজ টি নির্মান করা হয় ।
এ ভাঙ্গা ব্রীজের বিষয় বলইবুনিয়া গ্রামের আব্দুল মালেক বলেন এই ব্রিজটি দুই ইউনিয়নের মানুষের ১০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম।এই ব্রীজ পাড় হয়ে, ঘোলখালী ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের অনেক ছাত্র ছাত্রী টেপুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, টেপুরা দাখিল মাদ্রাসা, কাঠালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় পড়াশুনা করতে আসেন। ব্রিজটির ¯িøপার ভেঙ্গে পড়ায় ছাত্র- ছাত্রীদের মাদ্রাসা ও স্কুলে যাওয়া আসায় অনেক ব্যাঘাত ঘটছে।
ভুক্তভোগিরা জানান , এই ব্রীজটি মেরামত করে দিলে হলদিয়া ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ঘোলখালী ইউপির ১০ টি গ্রামের মানুষদের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুঃখ দুর্দশা দূর হবে।
এবিষয়ে গলাচিপা উপজেলা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস সূত্রে জানা যায়, ওখানে গার্ডার ব্রীজ নির্মান করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে বলেন, গলাচিপা উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের সাথে যোগাযোগ করে সাধারন মানুষের দুর্ভোগ লাগবে জরুরী ভিত্তিত্বে চেষ্টা চলছে।