পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে এক দরিদ্র পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। পটুয়াখালী থানার ৬৪৬ নম্বর সাধারন ডায়েরী সূত্রে জানা যায়, দক্ষিন বিঘাই গ্রামের ওসমান গনি ফকিরের ছেলে ইদ্রিস ফকিরের সাথে একই এলাকার গনি সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর সরদার, সোবাহান বয়াতির ছেলে আলমগীর বয়াতী, মোসলেম সরদারের ছেলে মেনাজ সরদার ও মজিবর সরদার, নুর ইসলাম মুসল্লীর ছেলে জাফর মুসল্লী এবং চানু মুসল্লীর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
গতকাল সকালে গনি সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর সরদার, সোবাহান বয়াতির ছেলে আলমগীর বয়াতী, মোসলেম সরদারের ছেলে মেনাজ সরদার ও মজিবর সরদার, নুর ইসলাম মুসল্লীর ছেলে জাফর মুসল্লী এবং চানু মুসল্লী একত্রিত হয়ে ওসমান গনি ফকিরের ছেলে ইদ্রিস ফকিরকে মারপিটের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করে পৈত্রিক সম্পত্তিতে দোকানঘর উত্তোলনের চেষ্টা করে। এসময় একই এলাকার আতাহার খানের ছেলে ইউসুফ খান ও নজরুল খান এবং সেরাজ মৃধার ছেলে জাহাঙ্গীর মৃধা মারপিটের প্রস্তুতি থামিয়ে দেওয়ায় ইদ্রিস ফকিরকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পটুয়াখালীর দক্ষিন বিঘাই গ্রামের ওসমান গনি ফকিরের ছেলে ইদ্রিস ফকির জানান, গনি সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর সরদার, সোবাহান বয়াতির ছেলে আলমগীর বয়াতী, মোসলেম সরদারের ছেলে মেনাজ সরদার ও মজিবর সরদার, নুর ইসলাম মুসল্লীর ছেলে জাফর মুসল্লী এবং চানু মুসল্লীর সাথে আমার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গতকাল সকালে তারা একত্রিত হয়ে আমাকে মারপিটের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে আমার পৈত্রিক সম্পত্তিতে দোকানঘর উত্তোলনের চেষ্টা করে।
কিন্তু আতাহার খানের ছেলে ইউসুফ খান ও নজরুল খান এবং সেরাজ মৃধার ছেলে জাহাঙ্গীর মৃধা মারপিটের প্রস্তুতি থামিয়ে দেওয়ায় তারা আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। তারা এলাকার প্রভাবশালী, যে কোন সময় আমার অথবা আমার পরিবারের সদস্যদের যে কোন বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা তারা ঘটাতে পারে। এবিষয়ে সোবাহান বয়াতির ছেলে আলমগীর বয়াতী ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, আমি করি নাই, করেছে গনি সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর সরদার।