জনি আলমগীর, কুয়াকাটা পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।
কুয়াকাটার মহিপুরে কিশোর কে অপহরণ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল ৭২ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পরেও ভিকটিম কে উদ্ধার বা কাউকে আটক করতে পারেনি থানা পুলিশ!
পটুয়াখালীর মহিপুরে এক কিশোর কে অপহরণ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তবে থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৪ - ৫ জনের নামে অভিযোগ দায়েরের ৭২ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পরেও অপহৃত কিশোর বা আসামি কাউকেই উদ্ধার বা আটক করতে পারেনি মহিপুর থানা পুলিশ।
জানায় অপহৃত কিশোর মহিপুর গ্রামের কাশেম মিয়ার ছেলে রায়হান (২২) বৃহস্পতিবার দুপুরে তার শশুর বাড়ি তালতলির উদ্যেশ্যে রওয়ানা হয়ে যায়।
যাওয়ার সময় তার সাথে ১ লক্ষ টাকা ও তার নিজের মটরসাইকেল এবং একটি মোবাইল সেট ছিলো।
পরবর্তীতে সন্ধায় রায়হানের স্ত্রী তাকে ফোন করে অবস্থান জানতে চাইলে মোবাইলের অপর প্রান্ত থেকে ধস্তাধস্তির আওয়াজ শোনে এবং কিছুক্ষণ পরে লাইন কেটে ফোনে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
একপর্যায়ে উদ্দীগ্ন হয়ে তার পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে এবং অভিযোগের ২নং স্বাক্ষি শাজাহান শিকদারের মাধ্যমে তার পিতা জানতে পারে যে তার ছেলেকে বেধে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিও তে দেখাযায় অপহৃত যুবক রায়হান কে গাছের সাথে বেধে এবং তার হাত বেধে একটি নির্জন বনের ভিতরে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালাচ্ছে ৪-৫ জন।
পরবর্তীতে শনিবার সকালে তার পিতা বাদি হয়ে
ইমাম সিকদার, মসিউর, ইমরান, বিপ্লব শীলের নাম উল্লেখ সহ আরো ৪-৫ জন অজ্ঞাত দিয়ে মহিপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
তার পিতা কাশেম মিয়া বলেন বর্নিত আসামিদের মধ্যে ১নং আসামি ইমাম সিকদার (০১৩০৮৫৭৯২২০) এই নম্বর থেকে ফোন করে বলে আপনার ছেলেকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আরো খারাপ হবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায় অভিযোগের আসামিরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী। মাদক কারবারের দায়ে একাধিক বার তারা পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে
তিনি বলেন আমরা আসামিদের আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা করছি এবং অপহৃত কিশোর কে উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছি।