বিশেষ প্রতিনিধি ঃঃ মুলাদী উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ মুরাদ হোসেন এর সাথে
উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার আসমা আক্তার লাকি বেগম এর সাথে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পরে কৌশলে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সর্ম্পক করে আসছে অনেকদিন যাবত, মুলাদী
উপজেলা চরকালেখান ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার লাকি বেগম দুই সন্তানের জননী,এ বিষয়ে মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মহিলা মেম্বার লাকি বেগম এর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ একটা বিরোধ চলে আসছে আমি শুনেছি এবং তাছাড়া তাদের গতকালকে বিবাহ করার কথা ছিল বলে আমি যতোটুকু জানি এছাড়া আমি আর কিছুই জানিনা। এবং
লিখিত অভিযোগ পেলে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। বরিশাল সংবাদকে মুলাদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন আমি বিষয়টি শুনেছি তারা নাকি গত ১৫ দিন আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তার পরে নিজেদের ভিতর একটু ঝামেলা হয়েছিল এই জন্য বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়েছিল এছাড়া আমি আর কিছুই জানিনা। সংরক্ষিত আসনের মেম্বার আসমা আক্তার লাকি তিনি বলেন ঘটনা আসলে আদৌ সত্য না আমার যদি এরকম কিছু হতো তাহলে আমি কাউকে ছাড় দিতাম না,বিষয়টা হলো ওর ও কিছু শত্রু আছে এবং আমারও কিছু শত্রু আছে তাই দুই পক্ষ মিলে এরকম অপপ্রচার চালাচ্ছে তা ছাড়া জনপ্রতিনিধি হতে গেলে শত্রু থাকবে এটাই স্বাভাবিক তাছাড়া আমি আমার পরিবারকে নিয়ে বেশ ভালোই আছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুলাদী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মুরাদকে ফোন করলে তিনি বলেন, আমি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরে গত টার্মে আমাকে আমার ইউনিয়ন থেকে সাদিক ভাই ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যানের পদে দলীয় নমিনেশন দিয়েছিলেন, এবং আগামীতেও আমার দলীয় নমিনেশন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে সেই হিসেবে বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামরুল আহসান ও তার ভাতিজা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাবে কুৎসা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এবং তার ভাতিজা ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছে আমি দেখেছি। আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন ঘটনা সত্য না, সব মিথ্যে যদি এরকম কোন ঘটনা হতো তাহলে থানায় আমার নামে মামলা হতো। বরিশাল সংবাদকে কাজী হারুনুর রশিদের ছেলে ওবায়দুর রহমান নুর জাহান আমাদের কাছে গতকাল বিকেলে আসমা আক্তার লাকী এসেছিল কাজী মুরাদ এর সাথে বিয়ে করানোর জন্য, অনেক অনুরোধ করার পরেও আমরা বিবাহ করাতে ইচ্ছুক ছিলাম না বিধায় সন্ধ্যার পরে আমাদের এখান থেকে চলে গিয়েছে ও আমাদেরকে বিভিন্নভাবে অনুরোধ করেছেন, বিষয়টা রাজনীতিক হওয়ায় আমরা বিয়ে করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। আসমা আক্তার লাকী বিভিন্ন লোককে ফোন করে বলেছেন তার বিবাহ হবে ২০ লক্ষ টাকা দেনমোহরে যাহার সূত্র আমার মা।এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কামরুল আহসান বলেন আমি বিষয়টি শুনেছি লোকের মাধ্যমে মেয়ে নাকি থানায় অভিযোগ করেছেন তারপরে তাদের বিবাহ হয়েছে এছাড়া আর আমি কিছুই জানিনা।বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাদ বলেন আমি যতটুকু শুনেছি তাদের নাকি বিবাহ হয়ে গেছে ,তাছাড়া যদি সংগঠনবিরোধী কোন কাজ করেন তাহলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিব। বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রাজ্জাক বলেন আমি বিষয়টা শুনেছি ,যেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ধর্ষণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে সেখানে আমার প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী যদি এই অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে প্রমাণ সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিব। মুলাদী উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন এই মুরাদ ছাত্রলীগের পদ পাওয়ার পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে সাংগঠন এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে আমি শুনেছি গতকালকে
১২ লক্ষ টাকা কাবিনে ঐ ধর্ষিতাকে বিয়ে করেছেন।