লিটন বাইজিদঃ বরিশালের নবগ্রাম রোডে ১৬ তারিখ সোমবার বিকেলে একটি বাসায় বাকেরগঞ্জের ফারুক মল্লিক নামের এক আওয়ামীলীগ নেতা কনিকা নামের এক স্কুল শিক্ষিকার সাথে পরকিয়ার জেরে অবৈধ মেলামেশা করতে গেলে স্থানীয় জনগণ কর্তৃক ধৃত হয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হন বলে জানা গেছে। তথ্যসূত্রে জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার চরাদি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক মল্লিক এর সাথে গুয়াখোলা সরকারি প্রাঃ বিঃ এর শিক্ষিকা হোসনেয়ারা কনিকার বিগত ৫ বছর যাবত পরকিয়া প্রেম চলছিল। কনিকার বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর কথা বলে ফারুক মল্লিক দীর্ঘদিন যাবৎ কনিকার সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে যাচ্ছিলেন বলে জানান তার স্ত্রী রুনা লায়লা। কনিকার সাথে ফারুক মল্লিকের অবৈধ সম্পর্কের কথা তিনি জানতে পারলে তার সাথে ঝগড়াঝাটি করে ছেলে মেয়ে ফেলে রেখে খোঁজখবর নেওয়া থেকে বিরত থাকে অভিযুক্ত ফারুক। বর্তমানে তার ঘরে একটি ছেলে (প্রতিবন্ধী) ও দুই মেয়ে রয়েছে। স্বামীর এসব অপকর্মের পরিপ্রেক্ষিতে তার স্ত্রীর রুনা লায়লা সাংবাদিকদের বলেন তার স্বামীর সাথে তার দীর্ঘদিন যাবত বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা চলছিল। এদিকে তাদের সংসারের অনেকদিন যাবত খোঁজ খবর নিচ্ছিল না। তিনি আরো বলেন, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ফারুক মল্লিক স্থানীয় পর্যায়ে মানুষদের হয়রানি, চাঁদাবাজি ও নির্যাতন করতেন এবং এই স্কুল শিক্ষিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার স্বামী সংসারটা পর্যন্ত ধ্বংস করে ফেলেছে। অভিযুক্ত ফারুক মল্লিকের স্ত্রী রুনালায়লা উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত কনিকা ও ফারুক মল্লিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় জনগণ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ফারুক মল্লিককে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।